‘ভোটের সময় সবাই প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু ভোট শেষে কেউ আর খোঁজ নেয় না। ১০ বছর ধরে আমরা কষ্ট করতেছি। যদি নতুন করে সেতু নির্মাণ না করা হয়, তাহলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। মাটি সরে যাওয়ায় নড়বড়ে সেতুতে উঠতে এখন ভয় লাগে। সংযোগ সড়কও নেই। এখন সেতুর দুইপাশে বাঁশের সাঁকো দেওয়া হয়েছে কিন্তু সেটাও ঝুঁকিপূর্ণ।’
দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষার পরও নতুন সেতু নির্মাণ না হওয়ায় হতাশা থেকে আক্ষেপ করে কথাগুলো বলছিলেন ষাটোর্ধ্ব বয়সী কৃষক বিনয় চন্দ্র বর্মন। তিনি রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের গোপিডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বালাপাড়া ইউনিয়নের গোপিডাঙ্গা মৌলভীবাজার এলাকায় সেতু থাকলেও নেই সংযোগ সড়ক। সেতুর দুইপাশে দেওয়া হয়েছে বাঁশের সাঁকো। আর সেই সাঁকো দিয়েই যাতায়াত চলছে ১০ গ্রামের মানুষের। প্রায় ১০ বছর ধরে চলে আসা এই জনদুর্ভোগে স্থানীয়দের ক্ষোভ আর হতাশা বাড়লেও নিরব কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়রা বলছেন, জরাজীর্ণ সেতুটি এখন স্থানীয় হাজারো মানুষের জন্য মৃত্যুফাঁদ। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সেতুটির একটি অংশ একপাশে মারাত্মকভাবে হেলে পড়েছে। এছাড়া মূল কাঠামোর দুই পাশের সংযোগস্থল ধসে যাওয়ায় সেখানে অস্থায়ীভাবে কাঠের পাটাতন বসিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নড়বড়ে এই কাঠের ওপর দিয়েই প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন সাধারণ মানুষ।
জানা গেছে, ২০১৪ সালে ইউএসএআইডি ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে, কেয়ার বাংলাদেশের সহযোগিতায় ও এলজিইডির বাস্তবায়নে ৩৭ লাখ ২৪ হাজার ১৮৩ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, যেকোনো সময় ব্রিজটি ধসে পড়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। মৌলভীবাজার এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান ও ঘোড়ার গাড়ি চলাচল করে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহনের অন্যতম প্রধান পথ হওয়ায় বাধ্য হয়েই আতঙ্ক নিয়ে প্রতিদিন এই ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি ব্যবহার করছেন এলাকাবাসী।
তারা আরও জানান, সেতুটির এমন বেহাল অবস্থার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। কৃষকরা নিরাপদে তাদের উৎপাদিত ফসল হাটে-বাজারে নিতে পারছেন না। তারা বিভিন্নভাবে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। রাতের বেলায় সেতুটি দিয়ে চলাচল আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।
১০ বছরেও হয়নি সংযোগ সড়ক, সাঁকো দিয়ে উঠতে হয় ৩৭ লাখ টাকার সেতুতে
‘ভোটের সময় সবাই প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু ভোট শেষে কেউ আর খোঁজ নেয় না। ১০ বছর ধরে আমরা কষ্ট করতেছি। যদি নতুন করে সেতু নির্মাণ না করা হয়, তাহলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। মাটি সরে যাওয়ায় নড়বড়ে সেতুতে উঠতে এখন ভয় লাগে। সংযোগ সড়কও নেই। এখন সেতুর দুইপাশে বাঁশের সাঁকো দেওয়া হয়েছে কিন্তু সেটাও ঝুঁকিপূর্ণ।’
দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষার পরও নতুন সেতু নির্মাণ না হওয়ায় হতাশা থেকে আক্ষেপ করে কথাগুলো বলছিলেন ষাটোর্ধ্ব বয়সী কৃষক বিনয় চন্দ্র বর্মন। তিনি রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের গোপিডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বালাপাড়া ইউনিয়নের গোপিডাঙ্গা মৌলভীবাজার এলাকায় সেতু থাকলেও নেই সংযোগ সড়ক। সেতুর দুইপাশে দেওয়া হয়েছে বাঁশের সাঁকো। আর সেই সাঁকো দিয়েই যাতায়াত চলছে ১০ গ্রামের মানুষের। প্রায় ১০ বছর ধরে চলে আসা এই জনদুর্ভোগে স্থানীয়দের ক্ষোভ আর হতাশা বাড়লেও নিরব কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়রা বলছেন, জরাজীর্ণ সেতুটি এখন স্থানীয় হাজারো মানুষের জন্য মৃত্যুফাঁদ। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সেতুটির একটি অংশ একপাশে মারাত্মকভাবে হেলে পড়েছে। এছাড়া মূল কাঠামোর দুই পাশের সংযোগস্থল ধসে যাওয়ায় সেখানে অস্থায়ীভাবে কাঠের পাটাতন বসিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নড়বড়ে এই কাঠের ওপর দিয়েই প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন সাধারণ মানুষ।
জানা গেছে, ২০১৪ সালে ইউএসএআইডি ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে, কেয়ার বাংলাদেশের সহযোগিতায় ও এলজিইডির বাস্তবায়নে ৩৭ লাখ ২৪ হাজার ১৮৩ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, যেকোনো সময় ব্রিজটি ধসে পড়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। মৌলভীবাজার এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান ও ঘোড়ার গাড়ি চলাচল করে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহনের অন্যতম প্রধান পথ হওয়ায় বাধ্য হয়েই আতঙ্ক নিয়ে প্রতিদিন এই ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি ব্যবহার করছেন এলাকাবাসী।
তারা আরও জানান, সেতুটির এমন বেহাল অবস্থার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। কৃষকরা নিরাপদে তাদের উৎপাদিত ফসল হাটে-বাজারে নিতে পারছেন না। তারা বিভিন্নভাবে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। রাতের বেলায় সেতুটি দিয়ে চলাচল আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 31, 2026, 7:47 am