হজ ইস্যুতে আলোচনার জন্য সম্প্রতি ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসে গিয়ে দেশটির রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহর সঙ্গে বৈঠক করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। স্বাগতিক দেশের একজন মন্ত্রীর সরাসরি বিদেশি দূতাবাসে গিয়ে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করার এ ঘটনায় কূটনৈতিক অঙ্গনে অলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। বর্তমান ও সাবেক কূটনীতিকরা বলছেন প্রটোকল ও কূটনৈতিক শিষ্টাচার অনুযায়ী এটি ‘নজিরবিহীন’ ঘটনা।
তারা বলছেন, কূটনৈতিক রীতি অনুযায়ী কোনো দাপ্তরিক বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনার প্রয়োজন হলে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদেরই মন্ত্রীর কার্যালয়ে আসার কথা; মন্ত্রীর রাষ্ট্রদূতের কাছে যাওয়ার রীতি নেই। ‘মহৎ উদ্দেশ্যে’ হলেও প্রথা ভেঙে এভাবে বিদেশি দূতাবাসে গিয়ে সাক্ষাৎ করা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশের অবস্থান দুর্বল করে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের জন্য ‘ব্যাকআপ আবাসন’ ১ শতাংশ বহাল রাখার অনুরোধ জানাতে গত ২০ জুলাই রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত সৌদি দূতাবাসে যান ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় আবাসন ২ শতাংশ নির্ধারণ করায় হজের খরচ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, যা রোধ করতে মন্ত্রী সৌদি রাষ্ট্রদূত আবিয়াহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
প্রচলিত কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী, বিশেষ প্রয়োজনে বৈঠকের প্রয়োজন হলে স্বাগতিক দেশের মন্ত্রীর দপ্তরে বিদেশি দূতদের আমন্ত্রণ জানানো বা ডেকে পাঠানোই নিয়ম। বিশেষ ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু কোনো বিদেশি দূতাবাসে গিয়ে স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করা একচন মন্ত্রীর জন্য কূটনৈতিক প্রটোকল অনুযায়ী শোভন নয়।
বৈঠক করতে মন্ত্রী নিজে গেলেন সৌদি দূতাবাসে!
হজ ইস্যুতে আলোচনার জন্য সম্প্রতি ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসে গিয়ে দেশটির রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহর সঙ্গে বৈঠক করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। স্বাগতিক দেশের একজন মন্ত্রীর সরাসরি বিদেশি দূতাবাসে গিয়ে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করার এ ঘটনায় কূটনৈতিক অঙ্গনে অলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। বর্তমান ও সাবেক কূটনীতিকরা বলছেন প্রটোকল ও কূটনৈতিক শিষ্টাচার অনুযায়ী এটি ‘নজিরবিহীন’ ঘটনা।
তারা বলছেন, কূটনৈতিক রীতি অনুযায়ী কোনো দাপ্তরিক বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনার প্রয়োজন হলে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদেরই মন্ত্রীর কার্যালয়ে আসার কথা; মন্ত্রীর রাষ্ট্রদূতের কাছে যাওয়ার রীতি নেই। ‘মহৎ উদ্দেশ্যে’ হলেও প্রথা ভেঙে এভাবে বিদেশি দূতাবাসে গিয়ে সাক্ষাৎ করা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশের অবস্থান দুর্বল করে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের জন্য ‘ব্যাকআপ আবাসন’ ১ শতাংশ বহাল রাখার অনুরোধ জানাতে গত ২০ জুলাই রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত সৌদি দূতাবাসে যান ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ। সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় আবাসন ২ শতাংশ নির্ধারণ করায় হজের খরচ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, যা রোধ করতে মন্ত্রী সৌদি রাষ্ট্রদূত আবিয়াহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
প্রচলিত কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী, বিশেষ প্রয়োজনে বৈঠকের প্রয়োজন হলে স্বাগতিক দেশের মন্ত্রীর দপ্তরে বিদেশি দূতদের আমন্ত্রণ জানানো বা ডেকে পাঠানোই নিয়ম। বিশেষ ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু কোনো বিদেশি দূতাবাসে গিয়ে স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করা একচন মন্ত্রীর জন্য কূটনৈতিক প্রটোকল অনুযায়ী শোভন নয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 30, 2026, 4:04 am