সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ এবং সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদ বণ্টন নিয়ে জাতীয় সংসদে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।
বিরোধী দলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনো কমিটির সভাপতির পদ পাওয়ার শর্তে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে তাদের কোনো সম্মতি হয়নি। বরং নীতিগতভাবেই তারা ওই কমিটিতে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
অন্যদিকে, চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলের সহযোগিতা চান তারা। এ নিয়ে জাতীয় সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে উত্তাপ ছড়ায়। একই অধিবেশনে থার্ড টার্মিনালে অতিরিক্ত ৯০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ, ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্পট নিয়ে মহাপরিকল্পনা, সরকারের কার্যক্রমের গতি এবং ই-কমার্সে গ্রাহকদের আটকে থাকা বিপুল অর্থ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ নিয়ে সংসদে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।
অধিবেশনের প্রথম অংশে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। বিরতির পর অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বিকেল সাড়ে ৩টায় শুরু হওয়া অধিবেশন শেষ হয় রাত সোয়া ৮টায়।
জাতীয় সংসস অধিবেশনে মাগরিবের বিরতীর পরে সংসদীয় কমিটি পুনগঠন কার্যক্রম শুরু হয়। এসময় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, স্পিকার কমিটি গঠন কার্যক্রমের আগে বিরোধী দলীয় উপনেতাকে কিছু বলার সুযোগ দিন, ওনারা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশ্রহণের লক্ষ্যে কমিটির সদস্যদের নাম দিকে সম্মত হয়েছেন। এরপরেই বিরোধী দলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরকে মাইক দেওয়া হয়।
এসময় তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটিন সভাপতি পদ বিরোধী দলের সদস্যদে মধ্য থেকে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত কমিটিতে নাম দেওয়ার বিষয়ে সম্মতির কথা বলিনি। এরপরে ফ্লোর নিয়ে বিরোদী দলের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এখন আপনারা সবই জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে চাইবেন, অথচ সনদ বাস্তবায়নের জন্য সহযোগিতায় আসবেন না। দুইটা বিপরীতমুখী হয়ে যায়।’
বক্তব্যের শুরুতে চিফ হুইপ বলেন, বিরোধী দলীয় উপনেতার সঙ্গে কথা হয়েছে। ওনারা সংবিধান সংশোদন কমিটিতি নাম দিবেন। তাকে ফ্লোর দেওয়ার অনুরোধ করেন চিফ হুইপ।
এরপরে বিরোধী দলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, সংসদে আমাদের সদস্য সংখ্যা অনুযায়ী আমরা ২৬ শতাংশ স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য পদ পাচ্ছি। একইভাবে আমাদের প্রত্যাশা ছিল, কমিটিগুলোর সভাপতিরও ২৬ শতাংশ বিরোধী দল থেকে হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো মন্ত্রণালয়ের কমিটিতে বিরোধী দল থেকে সভাপতি করা হয়নি।
চিফ হুইপের সঙ্গে ফোনালাপের প্রসঙ্গ টেনে তিনি স্পষ্ট করেন, সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে আমরা যাব এবং সেই হিসেবে আপনি আমাদের সভাপতি দেবেন, এমন কথা আমরা কখনোই বলিনি। আমাদের নীতিগত সিদ্ধান্ত হলো, আমরা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশগ্রহণ করব না। একটি কমিটিতে জয়েন করানোর জন্য শর্ত আরোপ করে জোর জবরদস্তি করার ট্র্যাডিশন আমরা সঠিক মনে করি না।
অতীত সংসদের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, অতীতে তো স্পিকারকে পিটিয়ে মারা হয়েছে, ডেপুটি স্পিকার শাহেদ আলী সাহেবকে হত্যা করা হয়েছে, জুতা ছোড়াছুড়ি হয়েছে। আমরা সেই কালো ইতিহাসে ফিরে যেতে চাই না। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন এটা জনগণের সংসদ, তাই বৈষম্যবিরোধী এই সংসদে আমরা আমাদের অধিকার চাই।
চিফ হুইপ জানান, বিরোধী দলের উপনেতার সঙ্গে ফোনালাপের ভিত্তিতে তিনি আশা করেছিলেন বিরোধী দল সংবিধান সংশোধন কমিটিতে থাকবে।
চিফ হুইপ বলেন, বিগত ৫৪-৫৫ বছরে বিরোধী দল থেকে কোনো কমিটির (পাবলিক অ্যাকাউন্টস বাদে) সভাপতি করার রেওয়াজ নেই। তারপরও আমরা আনুপাতিক হারে বিরোধী দলকে ১০টি কমিটির সভাপতি পদ দিতে রাজি আছি। কিন্তু আমাদের কথা ছিল, সংবিধান সংশোধন করেই আমরা ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন করব। উনারা যদি সেই প্রক্রিয়ায় অংশ নেন, তবে আমরা পদ দিতে রাজি আছি। আমরা কোনো কিছু আটকে রাখতে চাই না।
এরপর ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নে বিরোধীদলকে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, এখন আপনারা সবই জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে চাইবেন, অথচ সনদ বাস্তবায়নের জন্য সহযোগিতায় আসবেন না। দুইটা বিপরীতমুখী হয়ে যায়।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, স্পিকার নির্বাচনের আগে একটি ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেতাদের মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। কথা প্রসঙ্গে আমাদের কথা উঠলে প্রধানমন্ত্রী বললেন, আমরা এখন থেকেই জুলাই জাতীয় বাস্তবায়ন শুরু করি। চলুন, আপনি ডেপুটি স্পিকারের একজনের নাম দিন। বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার একজন, ডেপুটি স্পিকার একজন। সেই ডেপুটি স্পিকার আমরা বিরোধী দলকেই অফার করেছি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন হবে ততদিন আমরা অপেক্ষা করিনি।’ তবে বিরোধী দল তখন ডেপুটি স্পিকারের পদ নিতে রাজি হয়নি বলে জানান তিনি।
সভাপতির পদ বনাম সংবিধান সংশোধন কমিটি, সংসদে সরকার-বিরোধী দল মুখোমুখি
সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ এবং সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদ বণ্টন নিয়ে জাতীয় সংসদে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।
বিরোধী দলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনো কমিটির সভাপতির পদ পাওয়ার শর্তে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে তাদের কোনো সম্মতি হয়নি। বরং নীতিগতভাবেই তারা ওই কমিটিতে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
অন্যদিকে, চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলের সহযোগিতা চান তারা। এ নিয়ে জাতীয় সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে উত্তাপ ছড়ায়। একই অধিবেশনে থার্ড টার্মিনালে অতিরিক্ত ৯০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ, ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্পট নিয়ে মহাপরিকল্পনা, সরকারের কার্যক্রমের গতি এবং ই-কমার্সে গ্রাহকদের আটকে থাকা বিপুল অর্থ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ নিয়ে সংসদে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।
অধিবেশনের প্রথম অংশে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। বিরতির পর অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বিকেল সাড়ে ৩টায় শুরু হওয়া অধিবেশন শেষ হয় রাত সোয়া ৮টায়।
জাতীয় সংসস অধিবেশনে মাগরিবের বিরতীর পরে সংসদীয় কমিটি পুনগঠন কার্যক্রম শুরু হয়। এসময় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, স্পিকার কমিটি গঠন কার্যক্রমের আগে বিরোধী দলীয় উপনেতাকে কিছু বলার সুযোগ দিন, ওনারা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশ্রহণের লক্ষ্যে কমিটির সদস্যদের নাম দিকে সম্মত হয়েছেন। এরপরেই বিরোধী দলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরকে মাইক দেওয়া হয়।
এসময় তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটিন সভাপতি পদ বিরোধী দলের সদস্যদে মধ্য থেকে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত কমিটিতে নাম দেওয়ার বিষয়ে সম্মতির কথা বলিনি। এরপরে ফ্লোর নিয়ে বিরোদী দলের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এখন আপনারা সবই জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে চাইবেন, অথচ সনদ বাস্তবায়নের জন্য সহযোগিতায় আসবেন না। দুইটা বিপরীতমুখী হয়ে যায়।’
বক্তব্যের শুরুতে চিফ হুইপ বলেন, বিরোধী দলীয় উপনেতার সঙ্গে কথা হয়েছে। ওনারা সংবিধান সংশোদন কমিটিতি নাম দিবেন। তাকে ফ্লোর দেওয়ার অনুরোধ করেন চিফ হুইপ।
এরপরে বিরোধী দলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, সংসদে আমাদের সদস্য সংখ্যা অনুযায়ী আমরা ২৬ শতাংশ স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য পদ পাচ্ছি। একইভাবে আমাদের প্রত্যাশা ছিল, কমিটিগুলোর সভাপতিরও ২৬ শতাংশ বিরোধী দল থেকে হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো মন্ত্রণালয়ের কমিটিতে বিরোধী দল থেকে সভাপতি করা হয়নি।
চিফ হুইপের সঙ্গে ফোনালাপের প্রসঙ্গ টেনে তিনি স্পষ্ট করেন, সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে আমরা যাব এবং সেই হিসেবে আপনি আমাদের সভাপতি দেবেন, এমন কথা আমরা কখনোই বলিনি। আমাদের নীতিগত সিদ্ধান্ত হলো, আমরা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশগ্রহণ করব না। একটি কমিটিতে জয়েন করানোর জন্য শর্ত আরোপ করে জোর জবরদস্তি করার ট্র্যাডিশন আমরা সঠিক মনে করি না।
অতীত সংসদের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, অতীতে তো স্পিকারকে পিটিয়ে মারা হয়েছে, ডেপুটি স্পিকার শাহেদ আলী সাহেবকে হত্যা করা হয়েছে, জুতা ছোড়াছুড়ি হয়েছে। আমরা সেই কালো ইতিহাসে ফিরে যেতে চাই না। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন এটা জনগণের সংসদ, তাই বৈষম্যবিরোধী এই সংসদে আমরা আমাদের অধিকার চাই।
চিফ হুইপ জানান, বিরোধী দলের উপনেতার সঙ্গে ফোনালাপের ভিত্তিতে তিনি আশা করেছিলেন বিরোধী দল সংবিধান সংশোধন কমিটিতে থাকবে।
চিফ হুইপ বলেন, বিগত ৫৪-৫৫ বছরে বিরোধী দল থেকে কোনো কমিটির (পাবলিক অ্যাকাউন্টস বাদে) সভাপতি করার রেওয়াজ নেই। তারপরও আমরা আনুপাতিক হারে বিরোধী দলকে ১০টি কমিটির সভাপতি পদ দিতে রাজি আছি। কিন্তু আমাদের কথা ছিল, সংবিধান সংশোধন করেই আমরা ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন করব। উনারা যদি সেই প্রক্রিয়ায় অংশ নেন, তবে আমরা পদ দিতে রাজি আছি। আমরা কোনো কিছু আটকে রাখতে চাই না।
এরপর ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নে বিরোধীদলকে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, এখন আপনারা সবই জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে চাইবেন, অথচ সনদ বাস্তবায়নের জন্য সহযোগিতায় আসবেন না। দুইটা বিপরীতমুখী হয়ে যায়।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, স্পিকার নির্বাচনের আগে একটি ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেতাদের মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। কথা প্রসঙ্গে আমাদের কথা উঠলে প্রধানমন্ত্রী বললেন, আমরা এখন থেকেই জুলাই জাতীয় বাস্তবায়ন শুরু করি। চলুন, আপনি ডেপুটি স্পিকারের একজনের নাম দিন। বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার একজন, ডেপুটি স্পিকার একজন। সেই ডেপুটি স্পিকার আমরা বিরোধী দলকেই অফার করেছি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন হবে ততদিন আমরা অপেক্ষা করিনি।’ তবে বিরোধী দল তখন ডেপুটি স্পিকারের পদ নিতে রাজি হয়নি বলে জানান তিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: August 31, 2026, 10:51 am