জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস মিয়ানমারের সামরিক সরকারকে ‘অবিলম্বে’ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশকে ঘিরে থাকা ‘দুঃস্বপ্ন’ বন্ধের এটিই একমাত্র পথ। শনিবার (১২ নভেম্বর) কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে এক সম্মেলনে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। খবর ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
মিয়ানমারজুড়ে যে সহিসংতা চলছে তা বন্ধ করতে দেশটির জান্তা সরকারকে ব্যাপক চাপ দিয়ে আসছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানসহ ইউরোপীয় ইউনিয়ন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। কোনও পরামর্শ বা আহ্বান আমলে নিচ্ছেন মিয়ানমার সামরিক সরকার। এতে দেশটির পরিস্থিতি আর খারাপের দিকে এগোচ্ছে।
ক্রমবর্ধমান সংকট নিয়ে আসিয়ানের শীর্ষ সম্মেলনে প্রাধান্য পেয়েছে মিয়ানমার ইস্যু, দেশটির রক্তপাত এড়াতে এখন পর্যন্ত কূটনৈতিক চেষ্টা ব্যর্থ বলা চলে।
এ পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, মিয়ানমারের পরিস্থিতি জনগণের জন্য একটি অন্তহীন দুঃস্বপ্ন ও পুরো অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।
গুতেরেস আরও বলেছেন, ‘আমি মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষকে তাদের জনগণের কথা শুনতে, রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি এবং দ্রুত গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। স্থিতিশীলতা ও শান্তির এটাই একমাত্র পথ।’
আসিয়ানের সদস্য হওয়ায় মিয়ানমারকে কয়েকটি শর্তজুড়ে দেওয়া হয়েছে। মূলত দেশটিতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে জান্তা সরকারকে চাপ দিয়ে আসছে।
গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে সু চি’র সরকারকে জোরপূর্বক ক্ষমতা সরিয়ে দেয় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। এরপর তারা ক্ষমতায় বসে। সু চিসহ বহু রাজনৈতিক, সাংবাদিককে আটক করে কারাগারে রেখে বিচার কাজ চালাচ্ছে। জান্তাকে ক্ষমতা ছাড়তে দেশজুড়ে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে মিয়ানমার জনগণ।
মিয়ানমারকে অবিলম্বে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরতে হবে: জাতিসংঘ মহাসচিব
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস মিয়ানমারের সামরিক সরকারকে ‘অবিলম্বে’ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশকে ঘিরে থাকা ‘দুঃস্বপ্ন’ বন্ধের এটিই একমাত্র পথ। শনিবার (১২ নভেম্বর) কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে এক সম্মেলনে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। খবর ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
মিয়ানমারজুড়ে যে সহিসংতা চলছে তা বন্ধ করতে দেশটির জান্তা সরকারকে ব্যাপক চাপ দিয়ে আসছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানসহ ইউরোপীয় ইউনিয়ন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। কোনও পরামর্শ বা আহ্বান আমলে নিচ্ছেন মিয়ানমার সামরিক সরকার। এতে দেশটির পরিস্থিতি আর খারাপের দিকে এগোচ্ছে।
ক্রমবর্ধমান সংকট নিয়ে আসিয়ানের শীর্ষ সম্মেলনে প্রাধান্য পেয়েছে মিয়ানমার ইস্যু, দেশটির রক্তপাত এড়াতে এখন পর্যন্ত কূটনৈতিক চেষ্টা ব্যর্থ বলা চলে।
এ পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, মিয়ানমারের পরিস্থিতি জনগণের জন্য একটি অন্তহীন দুঃস্বপ্ন ও পুরো অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।
গুতেরেস আরও বলেছেন, ‘আমি মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষকে তাদের জনগণের কথা শুনতে, রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি এবং দ্রুত গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। স্থিতিশীলতা ও শান্তির এটাই একমাত্র পথ।’
আসিয়ানের সদস্য হওয়ায় মিয়ানমারকে কয়েকটি শর্তজুড়ে দেওয়া হয়েছে। মূলত দেশটিতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে জান্তা সরকারকে চাপ দিয়ে আসছে।
গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে সু চি’র সরকারকে জোরপূর্বক ক্ষমতা সরিয়ে দেয় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। এরপর তারা ক্ষমতায় বসে। সু চিসহ বহু রাজনৈতিক, সাংবাদিককে আটক করে কারাগারে রেখে বিচার কাজ চালাচ্ছে। জান্তাকে ক্ষমতা ছাড়তে দেশজুড়ে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে মিয়ানমার জনগণ।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 5:12 am