কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর জনক বলা হয় জিওফ্রে হিন্টনকে। তিনি সম্প্রতি গুগলের চাকরি ছেড়েছেন। চাকরি ছেড়ে দিয়েই করলেন বিস্ফোরক মন্তব্য।
নিউইয়র্ক টাইমসের কাছে সাক্ষাৎকার জানান, এআই নিয়ে তার প্রাথমিক উদ্বেগ হল ভুল তথ্যের বিস্তার এবং দীর্ঘমেয়াদে তিনি মানবতা সম্পর্কেই চিন্তিত।
হিন্টনের আশঙ্কা, মানুষের থেকেও একটু বেশি স্মার্ট হয়ে একদিন তার চাকরিই কেড়ে নেবে এআই।
এক দশকেরও বেশি সময় ধরে হিন্টন গুগলে চাকরি করছেন। নিজের চিন্তাভাবনা এবং সর্বোপরি এআইর উদ্ভাবনা নিয়ে এখন আফসোস করেন।
হিন্টন বলেন, আমি স্বাভাবিক অজুহাত দিয়ে নিজেকে সান্ত্বনা দিই। আমি না করলে অন্য কেউ করত। খারাপ কাজের জন্য এটি ব্যবহার করা থেকে মানুষজনকে কীভাবে প্রতিরোধ করা যেতে পারে, তা সত্যিই এক কঠিন বিষয়।
সালে তিনি টার্নিং অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিলেন হিন্টন। যে কাজের জন্য পুরস্কারটি পেয়েছিলেন, তার কারণেই আজ বিশ্বে এআই নিয়ে এত হৈচৈ।
হিন্টনের নিজস্ব একটি ফার্ম ছিল। সেই ফার্মই পরবর্তীতে অধিগ্রহণ করে গুগল। হিন্টন ও তাঁর দুই ছাত্র গুগলে কাজ পেয়েছিলেন, তাদের মধ্যে একজন এখন ওপেন এআইতে চাকরি করেন।
নিউইয়র্ক টাইমসের কাছে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে হিন্টন দাবি করেছেন, গুগলের সাফল্যে তিনি অত্যন্ত খুশি হয়েছিলেন, যতক্ষণ না মাইক্রোসফট তাদের বিং চালু করেছিল। যা ওপেনএআই ইনফিউজড।
হিন্টন বলছেন, এই ধরনের প্রতিযোগিতা চলতে থাকলে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভুল ছবিটা আরও প্রকট হবে এবং ‘আসল সত্যটা যে কী’ তা আর শেষমেশ কেউ বলতে পারবে না।
মানুষের চাকরি কেড়ে নেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা!
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর জনক বলা হয় জিওফ্রে হিন্টনকে। তিনি সম্প্রতি গুগলের চাকরি ছেড়েছেন। চাকরি ছেড়ে দিয়েই করলেন বিস্ফোরক মন্তব্য।
নিউইয়র্ক টাইমসের কাছে সাক্ষাৎকার জানান, এআই নিয়ে তার প্রাথমিক উদ্বেগ হল ভুল তথ্যের বিস্তার এবং দীর্ঘমেয়াদে তিনি মানবতা সম্পর্কেই চিন্তিত।
হিন্টনের আশঙ্কা, মানুষের থেকেও একটু বেশি স্মার্ট হয়ে একদিন তার চাকরিই কেড়ে নেবে এআই।
এক দশকেরও বেশি সময় ধরে হিন্টন গুগলে চাকরি করছেন। নিজের চিন্তাভাবনা এবং সর্বোপরি এআইর উদ্ভাবনা নিয়ে এখন আফসোস করেন।
হিন্টন বলেন, আমি স্বাভাবিক অজুহাত দিয়ে নিজেকে সান্ত্বনা দিই। আমি না করলে অন্য কেউ করত। খারাপ কাজের জন্য এটি ব্যবহার করা থেকে মানুষজনকে কীভাবে প্রতিরোধ করা যেতে পারে, তা সত্যিই এক কঠিন বিষয়।
সালে তিনি টার্নিং অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিলেন হিন্টন। যে কাজের জন্য পুরস্কারটি পেয়েছিলেন, তার কারণেই আজ বিশ্বে এআই নিয়ে এত হৈচৈ।
হিন্টনের নিজস্ব একটি ফার্ম ছিল। সেই ফার্মই পরবর্তীতে অধিগ্রহণ করে গুগল। হিন্টন ও তাঁর দুই ছাত্র গুগলে কাজ পেয়েছিলেন, তাদের মধ্যে একজন এখন ওপেন এআইতে চাকরি করেন।
নিউইয়র্ক টাইমসের কাছে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে হিন্টন দাবি করেছেন, গুগলের সাফল্যে তিনি অত্যন্ত খুশি হয়েছিলেন, যতক্ষণ না মাইক্রোসফট তাদের বিং চালু করেছিল। যা ওপেনএআই ইনফিউজড।
হিন্টন বলছেন, এই ধরনের প্রতিযোগিতা চলতে থাকলে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভুল ছবিটা আরও প্রকট হবে এবং ‘আসল সত্যটা যে কী’ তা আর শেষমেশ কেউ বলতে পারবে না।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 7:44 am