পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক–ই–ইনসাফ (পিটিআই) নেতা ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইসলামাবাদের একটি আদালত রায় ঘোষণার পরই আজ শনিবার তাঁকে লাহোরের বাড়ি জামান পার্ক থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পিটিআইয়ের পাঞ্জাব শাখার নেতা–কর্মীরা দলীয় প্রধানকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দলের এক টুইট বার্তায় বলা হয়, ইমরান খানকে কোট লাখপাত কারাগারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ৯ মের পর আজ দ্বিতীয়বারের মতো গ্রেপ্তার হলেন ইমরান।
আজ ইসলাবামাদের আদালতে তোশাখানা মামলার রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির ছিলেন না ইমরান খান। তাঁর আইনজীবীরাও আদালতে ছিলেন না। ওই মামলায় তাঁর ‘দুর্নীতিচর্চা’ প্রমাণিত হয়েছে উল্লেখ করে আদালত তাঁকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাঁকে ১ লাখ পাকিস্তানি রুপি জরিমানা করা হয়।
পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের করা এই মামলায় ইমরানের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে পাওয়া উপহার রাষ্ট্রীয় তোষাখানায় জমা না দিয়ে বিক্রির অভিযোগ আনা হয়েছে।
আজ মামলার রায় দেওয়ার সময় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (এডিএসআই) হুমায়ুন দিলাওয়ার বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ইমরান খান নির্বাচন কমিশনে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়া কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। দুর্নীতিচর্চায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।
বিচারক নির্বাচন আইনের ১৭৪ ধারায় পিটিআইয়ের প্রধানের বিরুদ্ধে তিন বছরের কারাদণ্ডের রায় দেন।
আইনে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি দুর্নীতিচর্চায় দোষী সাব্যস্ত হলে তিনি দণ্ডিত হবেন। তাঁকে তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা এক লাখ রুপি অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
আদালতে মামলার রায় শুনানি শুরু হয় স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে আটটায়। এ সময় বিচারক ইমরান খান বা তাঁর আইনজীবীরা আদালতে উপস্থিত না থাকায় বার বার অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি ইমরানের আইনজীবীদের আদালতে হাজির হয়ে তাঁর পক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়ার কথা বলেন।
তবে আদালতে ইমরানের কোনো আইনজীবী না আসায় শেষ পর্যন্ত বিচারক বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে তোশাখানা মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আদালতে কেবল আইনজীবীদের ঢুকতে দেওয়া হয়।
গত ৯ মে গ্রেপ্তার হওয়ার পর পিটিআই চেয়ারম্যান আজ শনিবার দ্বিতীয়বারের মতো গ্রেপ্তার হলেন। আল–কাদির ট্রাস্ট মামলায় তখন ইসলামাবাদ হাইকোর্ট চত্বর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
ইমরান খান লাহোরের বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক–ই–ইনসাফ (পিটিআই) নেতা ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইসলামাবাদের একটি আদালত রায় ঘোষণার পরই আজ শনিবার তাঁকে লাহোরের বাড়ি জামান পার্ক থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পিটিআইয়ের পাঞ্জাব শাখার নেতা–কর্মীরা দলীয় প্রধানকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দলের এক টুইট বার্তায় বলা হয়, ইমরান খানকে কোট লাখপাত কারাগারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ৯ মের পর আজ দ্বিতীয়বারের মতো গ্রেপ্তার হলেন ইমরান।
আজ ইসলাবামাদের আদালতে তোশাখানা মামলার রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির ছিলেন না ইমরান খান। তাঁর আইনজীবীরাও আদালতে ছিলেন না। ওই মামলায় তাঁর ‘দুর্নীতিচর্চা’ প্রমাণিত হয়েছে উল্লেখ করে আদালত তাঁকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাঁকে ১ লাখ পাকিস্তানি রুপি জরিমানা করা হয়।
পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের করা এই মামলায় ইমরানের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে পাওয়া উপহার রাষ্ট্রীয় তোষাখানায় জমা না দিয়ে বিক্রির অভিযোগ আনা হয়েছে।
আজ মামলার রায় দেওয়ার সময় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (এডিএসআই) হুমায়ুন দিলাওয়ার বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ইমরান খান নির্বাচন কমিশনে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়া কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। দুর্নীতিচর্চায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।
বিচারক নির্বাচন আইনের ১৭৪ ধারায় পিটিআইয়ের প্রধানের বিরুদ্ধে তিন বছরের কারাদণ্ডের রায় দেন।
আইনে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি দুর্নীতিচর্চায় দোষী সাব্যস্ত হলে তিনি দণ্ডিত হবেন। তাঁকে তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা এক লাখ রুপি অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
আদালতে মামলার রায় শুনানি শুরু হয় স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে আটটায়। এ সময় বিচারক ইমরান খান বা তাঁর আইনজীবীরা আদালতে উপস্থিত না থাকায় বার বার অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি ইমরানের আইনজীবীদের আদালতে হাজির হয়ে তাঁর পক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়ার কথা বলেন।
তবে আদালতে ইমরানের কোনো আইনজীবী না আসায় শেষ পর্যন্ত বিচারক বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে তোশাখানা মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আদালতে কেবল আইনজীবীদের ঢুকতে দেওয়া হয়।
গত ৯ মে গ্রেপ্তার হওয়ার পর পিটিআই চেয়ারম্যান আজ শনিবার দ্বিতীয়বারের মতো গ্রেপ্তার হলেন। আল–কাদির ট্রাস্ট মামলায় তখন ইসলামাবাদ হাইকোর্ট চত্বর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 5:11 am