হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নিখোঁজ হওয়া ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির ভাগ্যে কী ঘটেছে তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।
ইরানের সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যমগুলো সর্বশেষ আপডেটে নির্বাহী প্রেসিডেন্ট মোহসেন মানসুরি এবং পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের কমান্ডার আসগর আব্বাসগোলিজাদেহর বরাতে জানিয়েছিল, রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং ওই হেলিকপ্টার থেকে দুজন ব্যক্তি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
কিন্তু এরপর আর কোনো তথ্য জানা যায়নি। সংবাদমাধ্যমগুলো শুধু জানিয়েছে, উদ্ধারকারীরা প্রেসিডেন্ট রাইসিকে খুঁজে বের করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।
তবে এই উদ্ধার অভিযান যে কষ্টসাধ্য হবে সেটি আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা। কারণ যেখানে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সেটি একটি ঘন বনজঙ্গল এবং পাহাড়ি এলাকা।
গতকাল রোববার দিন পেরিয়ে যখন রাত নামে তখন উদ্ধার অভিযান আরও কঠিন হয়ে যায়। কারণ সে সময় অঞ্চলটিতে বৃষ্টি হচ্ছিল এবং আশপাশ ঘন কুয়াশায় আবৃত হয়েছিল। এতে করে উদ্ধারকারীরা গাড়ি নিয়েও ঘটনাস্থলে যেতে পারেনি। তাদের পায়ে হেঁটে সেখানে যেতে হয়।
ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোতে বলা হয়েছে, রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। সে হিসেবে এখন পর্যন্ত ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে এক আবহাওয়াবিদ জানিয়েছেন, যেহেতু ওই স্থানটি একটি পাহাড়ি অঞ্চল তাই সেখানে রাত ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা শূন্যের ঘরে নেমে আসবে।
হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার পর যদি রাইসি বেঁচেও যান— তাহলে তিনি এখন কী করছেন বা কীভাবে আছেন তার কিছুই জানা যায়নি।
গতকাল রোববার (১৯ মে) আজারবাইজানে একটি বাঁধ উদ্বোধন করে ইরানি প্রদেশ পূর্ব আজারবাইজানের তারবিজে যাচ্ছিলেন প্রেসিডেন্ট রাইসি। এই সময় তার সঙ্গে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ছিলেন। তারবিজে ফেরার পথেই হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।
রাইসির ভাগ্যে কী ঘটল, জানা গেল না এখনো
হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নিখোঁজ হওয়া ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির ভাগ্যে কী ঘটেছে তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।
ইরানের সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যমগুলো সর্বশেষ আপডেটে নির্বাহী প্রেসিডেন্ট মোহসেন মানসুরি এবং পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের কমান্ডার আসগর আব্বাসগোলিজাদেহর বরাতে জানিয়েছিল, রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং ওই হেলিকপ্টার থেকে দুজন ব্যক্তি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
কিন্তু এরপর আর কোনো তথ্য জানা যায়নি। সংবাদমাধ্যমগুলো শুধু জানিয়েছে, উদ্ধারকারীরা প্রেসিডেন্ট রাইসিকে খুঁজে বের করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।
তবে এই উদ্ধার অভিযান যে কষ্টসাধ্য হবে সেটি আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা। কারণ যেখানে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সেটি একটি ঘন বনজঙ্গল এবং পাহাড়ি এলাকা।
গতকাল রোববার দিন পেরিয়ে যখন রাত নামে তখন উদ্ধার অভিযান আরও কঠিন হয়ে যায়। কারণ সে সময় অঞ্চলটিতে বৃষ্টি হচ্ছিল এবং আশপাশ ঘন কুয়াশায় আবৃত হয়েছিল। এতে করে উদ্ধারকারীরা গাড়ি নিয়েও ঘটনাস্থলে যেতে পারেনি। তাদের পায়ে হেঁটে সেখানে যেতে হয়।
ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোতে বলা হয়েছে, রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। সে হিসেবে এখন পর্যন্ত ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে এক আবহাওয়াবিদ জানিয়েছেন, যেহেতু ওই স্থানটি একটি পাহাড়ি অঞ্চল তাই সেখানে রাত ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা শূন্যের ঘরে নেমে আসবে।
হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার পর যদি রাইসি বেঁচেও যান— তাহলে তিনি এখন কী করছেন বা কীভাবে আছেন তার কিছুই জানা যায়নি।
গতকাল রোববার (১৯ মে) আজারবাইজানে একটি বাঁধ উদ্বোধন করে ইরানি প্রদেশ পূর্ব আজারবাইজানের তারবিজে যাচ্ছিলেন প্রেসিডেন্ট রাইসি। এই সময় তার সঙ্গে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ছিলেন। তারবিজে ফেরার পথেই হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 7:44 am