সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিশ্লেষণের আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন ও হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ থেকেও তাদের শিক্ষা নিতে বলেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) লখনৌতে জয়েন্ট কমান্ডার কনফারেন্সের শেষদিনে বক্তব্য দেন রাজনাথ। ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রাজনাথ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের বলেছেন, “এসব ঘটনা বিশ্লেষণ করুন, ভবিষ্যতে ভারত কী ধরনের সমস্যায় পড়তে পারে সেটি নিরূপণের চেষ্টা করুন এবং অপ্রত্যাশিত যে কোনো কিছু মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকুন।”
তিনি আরও বলেছেন, ভারত-চীন সীমান্তে ও প্রতিবেশী দেশগুলোতে যা হচ্ছে সেটি এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
রাজনাথ কনফারেন্সে দাবি করেন ভারত একটি শান্তিপ্রিয় দেশ। আর এই শান্তি বজায় রাখতে তাদের সেনাদের যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে হবে।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ভারতে পালিয়ে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাসিনার পালানোর বিষয়টিকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নেয় ভারত। শেখ হাসিনা যখন দিল্লিতে পৌঁছান তখন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক করেন।
দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের সবচেয়ে বড় মিত্র ছিলেন শেখ হাসিনা। তার আমলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি হয়েছে। এছাড়া নেওয়া হয়েছিল বড় বড় প্রকল্প। যখন হাসিনার পতন হয় তখন এসব প্রকল্প নিয়ে চিন্তায় পড়ে যায় দেশটি।
তবে এখন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে নয়াদিল্লি।
ভারতীয় সেনাদের বাংলাদেশ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে বললেন মন্ত্রী
সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিশ্লেষণের আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন ও হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ থেকেও তাদের শিক্ষা নিতে বলেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) লখনৌতে জয়েন্ট কমান্ডার কনফারেন্সের শেষদিনে বক্তব্য দেন রাজনাথ। ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রাজনাথ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের বলেছেন, “এসব ঘটনা বিশ্লেষণ করুন, ভবিষ্যতে ভারত কী ধরনের সমস্যায় পড়তে পারে সেটি নিরূপণের চেষ্টা করুন এবং অপ্রত্যাশিত যে কোনো কিছু মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকুন।”
তিনি আরও বলেছেন, ভারত-চীন সীমান্তে ও প্রতিবেশী দেশগুলোতে যা হচ্ছে সেটি এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
রাজনাথ কনফারেন্সে দাবি করেন ভারত একটি শান্তিপ্রিয় দেশ। আর এই শান্তি বজায় রাখতে তাদের সেনাদের যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে হবে।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ভারতে পালিয়ে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাসিনার পালানোর বিষয়টিকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নেয় ভারত। শেখ হাসিনা যখন দিল্লিতে পৌঁছান তখন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক করেন।
দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের সবচেয়ে বড় মিত্র ছিলেন শেখ হাসিনা। তার আমলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি হয়েছে। এছাড়া নেওয়া হয়েছিল বড় বড় প্রকল্প। যখন হাসিনার পতন হয় তখন এসব প্রকল্প নিয়ে চিন্তায় পড়ে যায় দেশটি।
তবে এখন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে নয়াদিল্লি।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 5:13 am