খাজনা আদায় ও ভূমি সংক্রান্ত অন্যান্য সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে সরকার দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে স্থাপন করেন ভূমি অফিস। কিন্তু এসব ভূমি অফিসে দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘুষ বাণিজ্য ও ক্ষমতা অপব্যবহারের কারণে সরকারি এই মহৎ উদ্যোগ ভেস্তে যেতে বসেছে। সরকারি প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ঘুষ নামক ভূত থাকলেও ভূমি অফিসগুলোতে ঘুষ বাণিজ্য ওপেন সিক্রেট হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভূমি অফিসে গিয়ে ঘুষ বাণিজ্যের শিকার হয় নাই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
নামজারির আবেদনকারী অনেকে জানান, নামজারির আবেদন ভূমি অফিসে তদন্তের জন্য আসলে অফিস থেকে কল দিয়ে অফিসে ডেকে এনে বিভিন্ন সমস্যা আছে বলে মোটা অংকের টাকা আদায় করা হচ্ছে। সরকারিভাবে নামজারির জন্য ২০ টাকার কোর্ট ফি, ৫০ টাকা নোটিশ জারি ফি, খতিয়ান ফি ১শ’ টাকা ও রেকর্ড সংশোধন ফি ১ হাজার টাকাসহ সব মিলিয়ে ১ হাজার ১শ’ ৭০ টাকা খরচ হলেও এখানে নামজারির ফি স্বাভাবিকভাবে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা নেয়া হচ্ছে। আবার ক্ষেত্র বিশেষ সামান্য ভুলক্রটি থাকলে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকাও নেয়া হচ্ছে বলে অনেকে জানান।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পিএম খালি ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কোহিনূর আক্তার ঘুষ দুর্নীতির রসের হাড়ি মোজে অনিয়মকে রূপ দিয়েছেন নিয়মে। সেবা নিতে গিয়ে তার নিকট প্রতিনিয়ত হয় রানীর শিকার হচ্ছেন সাধারণ জনগণ। তহশীলদার কোহিনুর-এর ঘুষ ও হয়রানি থেকে খোদ পেশাদার সাংবাদিক পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না। যে কারণের দিন দিন তোশিলদার কোহিনুর এর বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার ও রূঢ় আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে ইউনিয়নবাসী।
অভিযোগ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, পিএম খালির ভূমি অফিসটি এসময় দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেন তোশিলদার। ভূমি সংক্রান্ত যে কোন সেবার বিনিময় হাতিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। চাহিদা অনুযায়ী ঘুষ না দিলে, জমি দখলে নেই, কাগজে ত্রুটি আছে, এইসব বলে নামজারীর (মিউটেশন) আবেদন করার কথা বলে কারো কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা, কারো কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা, বিউটি আক্তারের কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা, ওসমান কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা, আব্দুল গনির কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন। যা দিয়ে কক্সবাজার ডিসি পাহাড়ের দশটি ফ্লাট ও ক্রয় করে, এবং কক্সবাজার চন্দ্রিমা হাউসিং সোসাইটির সামনে ১২ তলা বিশিষ্ট হোটেল ও ফ্লাট নির্মাণ চলমান রয়েছে।
চৌফলদন্ডী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কোহিনুর আক্তার ও তার স্বামী সৈয়দ নুর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ পওয়া গেছে। চৌফলদন্ডী ইউনিয়ন ভূমি সরকারী কর্মকর্তা কহিনূর আক্তারের ঘুষ, দুর্নীতি, হয়রানি ও অসদাচরণ বিষয়ে জানাতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে কোহিনুর আক্তার এ বিষয়ে কথা বলবেন না বলে কল কেটে দেন।
ঘুষ ছাড়া সেবা দেয় না তহশিলদার কহিনূর আক্তার ও তার স্বামী সৈয়দ নুর
খাজনা আদায় ও ভূমি সংক্রান্ত অন্যান্য সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে সরকার দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে স্থাপন করেন ভূমি অফিস। কিন্তু এসব ভূমি অফিসে দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘুষ বাণিজ্য ও ক্ষমতা অপব্যবহারের কারণে সরকারি এই মহৎ উদ্যোগ ভেস্তে যেতে বসেছে। সরকারি প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ঘুষ নামক ভূত থাকলেও ভূমি অফিসগুলোতে ঘুষ বাণিজ্য ওপেন সিক্রেট হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভূমি অফিসে গিয়ে ঘুষ বাণিজ্যের শিকার হয় নাই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
নামজারির আবেদনকারী অনেকে জানান, নামজারির আবেদন ভূমি অফিসে তদন্তের জন্য আসলে অফিস থেকে কল দিয়ে অফিসে ডেকে এনে বিভিন্ন সমস্যা আছে বলে মোটা অংকের টাকা আদায় করা হচ্ছে। সরকারিভাবে নামজারির জন্য ২০ টাকার কোর্ট ফি, ৫০ টাকা নোটিশ জারি ফি, খতিয়ান ফি ১শ’ টাকা ও রেকর্ড সংশোধন ফি ১ হাজার টাকাসহ সব মিলিয়ে ১ হাজার ১শ’ ৭০ টাকা খরচ হলেও এখানে নামজারির ফি স্বাভাবিকভাবে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা নেয়া হচ্ছে। আবার ক্ষেত্র বিশেষ সামান্য ভুলক্রটি থাকলে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকাও নেয়া হচ্ছে বলে অনেকে জানান।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পিএম খালি ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কোহিনূর আক্তার ঘুষ দুর্নীতির রসের হাড়ি মোজে অনিয়মকে রূপ দিয়েছেন নিয়মে। সেবা নিতে গিয়ে তার নিকট প্রতিনিয়ত হয় রানীর শিকার হচ্ছেন সাধারণ জনগণ। তহশীলদার কোহিনুর-এর ঘুষ ও হয়রানি থেকে খোদ পেশাদার সাংবাদিক পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না। যে কারণের দিন দিন তোশিলদার কোহিনুর এর বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার ও রূঢ় আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে ইউনিয়নবাসী।
অভিযোগ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, পিএম খালির ভূমি অফিসটি এসময় দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেন তোশিলদার। ভূমি সংক্রান্ত যে কোন সেবার বিনিময় হাতিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। চাহিদা অনুযায়ী ঘুষ না দিলে, জমি দখলে নেই, কাগজে ত্রুটি আছে, এইসব বলে নামজারীর (মিউটেশন) আবেদন করার কথা বলে কারো কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা, কারো কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা, বিউটি আক্তারের কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা, ওসমান কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা, আব্দুল গনির কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন। যা দিয়ে কক্সবাজার ডিসি পাহাড়ের দশটি ফ্লাট ও ক্রয় করে, এবং কক্সবাজার চন্দ্রিমা হাউসিং সোসাইটির সামনে ১২ তলা বিশিষ্ট হোটেল ও ফ্লাট নির্মাণ চলমান রয়েছে।
চৌফলদন্ডী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কোহিনুর আক্তার ও তার স্বামী সৈয়দ নুর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ পওয়া গেছে। চৌফলদন্ডী ইউনিয়ন ভূমি সরকারী কর্মকর্তা কহিনূর আক্তারের ঘুষ, দুর্নীতি, হয়রানি ও অসদাচরণ বিষয়ে জানাতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে কোহিনুর আক্তার এ বিষয়ে কথা বলবেন না বলে কল কেটে দেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 5:04 am