কক্সবাজারের টেকনাফের দ্বীপ ইউনিয়ন সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ফয়েজুল ইসলামকে মারামারি ও দোকান ভাঙচুরের একটি জিআর মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযুক্ত অপর চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তাকে জেলা কারগারে প্রেরণ করা হয়। এর আগে বিকেলে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নাজমুল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সেন্ট মার্টিন ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য রশিদ আহমদ ২০১৭ সালে দোকান ভাঙচুর, লুটপাট ও হামলার অভিযোগে টেকনাফ থানায় মামলা করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে প্রধান আসামি ফয়েজুল ইসলামকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন তবে অপর চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-৩ হাফেজা খাতুন বলেন, মারামারির মামলায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দুই বছরের সাজা হয়েছে বলে শুনেছি।
মামলার বাদী রশিদ আহমদ বলেন, ২০১৭ সালে ফয়েজুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা তার দোকানে হামলা ও লুটপাট চালান। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর তিনি থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ বিচার শেষে আদালত প্রধান আসামিকে সাজা দিয়েছেন।
মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ফয়েজুল ইসলামের পরিবার। ভাই রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতিহিংসার জেরে আমার ভাইকে ফাঁসানো হয়েছে। রায়ের বিরুদ্ধে আমরা আপিল করব।
নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে ২০২৫ সালের ৬ মার্চ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের স্বাক্ষরিত এক স্মারকে ফয়েজুল ইসলামকে ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব অর্পণ করা হয় এবং এরপর থেকেই তিনি প্রবাল এই দ্বীপটির সর্বোচ্চ জনপ্রতিনিধি হিসেবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
মারামারির মামলায় কারাগারে সেন্ট মার্টিনের চেয়ারম্যান
কক্সবাজারের টেকনাফের দ্বীপ ইউনিয়ন সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ফয়েজুল ইসলামকে মারামারি ও দোকান ভাঙচুরের একটি জিআর মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযুক্ত অপর চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তাকে জেলা কারগারে প্রেরণ করা হয়। এর আগে বিকেলে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নাজমুল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সেন্ট মার্টিন ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য রশিদ আহমদ ২০১৭ সালে দোকান ভাঙচুর, লুটপাট ও হামলার অভিযোগে টেকনাফ থানায় মামলা করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে প্রধান আসামি ফয়েজুল ইসলামকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন তবে অপর চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-৩ হাফেজা খাতুন বলেন, মারামারির মামলায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দুই বছরের সাজা হয়েছে বলে শুনেছি।
মামলার বাদী রশিদ আহমদ বলেন, ২০১৭ সালে ফয়েজুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা তার দোকানে হামলা ও লুটপাট চালান। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর তিনি থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ বিচার শেষে আদালত প্রধান আসামিকে সাজা দিয়েছেন।
মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ফয়েজুল ইসলামের পরিবার। ভাই রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতিহিংসার জেরে আমার ভাইকে ফাঁসানো হয়েছে। রায়ের বিরুদ্ধে আমরা আপিল করব।
নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে ২০২৫ সালের ৬ মার্চ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের স্বাক্ষরিত এক স্মারকে ফয়েজুল ইসলামকে ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব অর্পণ করা হয় এবং এরপর থেকেই তিনি প্রবাল এই দ্বীপটির সর্বোচ্চ জনপ্রতিনিধি হিসেবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 3:47 am