বাগেরহাটের চিতলমারীতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত কর্মী কৃষক নুর ইসলাম শেখ (৪৮) মারা গেছেন।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঢাকায় ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় চরচিংগড়ী গ্রামে তার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত নুর ইসলাম শেখ উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের চরচিংগড়ী গ্রামের জলিল শেখের ছেলে। গেল ১৬ ফেব্রুয়ারি উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা গোলাম কিবয়িরা মাস্টার ও মোস্তাফিজুর রহমান কচির লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে নুর ইসলাম শেখসহ বিএনপির ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছিলেন। আহত নুর ইসলামকে প্রথমে টুঙ্গিপাড়া সেখান থেকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতাল নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। দীর্ঘ ১০ দিন চিকিৎসাধীন শেষে তিনি মারা যায়।
চিতলমারী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব টুলু বিশ্বাস বলেন, নুর ইসলাম আমাদের দলের কর্মী ছিলেন। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি কলাতলা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়। তিনি গুরুতর আহত হন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকাতে নেওয়া হয়। তিনি ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। যদি দলের কেউ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে, আমরা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেব।
চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শাহাদাৎ হোসেন বলেন, হতাহতের ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সন্ধ্যায় নিহতের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
বাগেরহাটে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত কর্মীর মৃত্যু
বাগেরহাটের চিতলমারীতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত কর্মী কৃষক নুর ইসলাম শেখ (৪৮) মারা গেছেন।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঢাকায় ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় চরচিংগড়ী গ্রামে তার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত নুর ইসলাম শেখ উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের চরচিংগড়ী গ্রামের জলিল শেখের ছেলে। গেল ১৬ ফেব্রুয়ারি উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা গোলাম কিবয়িরা মাস্টার ও মোস্তাফিজুর রহমান কচির লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে নুর ইসলাম শেখসহ বিএনপির ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছিলেন। আহত নুর ইসলামকে প্রথমে টুঙ্গিপাড়া সেখান থেকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতাল নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। দীর্ঘ ১০ দিন চিকিৎসাধীন শেষে তিনি মারা যায়।
চিতলমারী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব টুলু বিশ্বাস বলেন, নুর ইসলাম আমাদের দলের কর্মী ছিলেন। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি কলাতলা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়। তিনি গুরুতর আহত হন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকাতে নেওয়া হয়। তিনি ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। যদি দলের কেউ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে, আমরা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেব।
চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শাহাদাৎ হোসেন বলেন, হতাহতের ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সন্ধ্যায় নিহতের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 5:05 am