ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়ির চাপ থাকলেও যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। শনিবার (২৯ মার্চ) বিকেল ৬টায় মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের মেঘনাটোল প্লাজা থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার এলাকায় কোনো যানজট দেখা যায়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোর থেকে মহাসড়কে ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষ ও লাঙ্গলবন্দ পূণ্যস্নানে অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পুণ্যার্থীদের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। তবে দুপুর ২টার পর থেকে যানজট স্বাভাবিক হয়। মহাসড়কেও নির্বিঘ্নে গাড়ি চলাচল করছে।
কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে লাঙ্গলবন্দ পূণ্যস্নানে আসা বিথিকা রাণী দাস নামে এ নারী বলেন, পাপমোচনের উদ্দেশে স্বামী ও সন্তান নিয়ে লাঙ্গলবন্দের ব্রহ্মপুত্র নদীতে স্নান করতে এসেছি। আমরা রাস্তায় কোনো যানজট পাইনি। নির্বিঘ্নে খুব কম সময়ের মধ্যে চলে আসতে পেরেছি।
শ্রাবণ পরিবহনের হেল্পার মো. ইমন বলেন, সকালে যাত্রীর চাপ একটু বেশি ছিল কিন্তু এখন সে তুলনায় যাত্রী নেই।
তিনি আরও বলেন, সকালের দিকে মেঘনা থেকে লাঙ্গলবন্দ আসতে যানজট ছিল তবে এখন সড়ক পুরোপুরি স্বাভাবিক আছে।
কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াহিদ মোর্শেদ বলেন, মহাসড়কে বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের সংখ্যা বাড়লেও আমাদের একাধিক টিম মাঠে থাকায় এখন কোনো যানজট নেই।
তিনি আরও বলেন, সরকারি ছুটি শেষ হয়ে যাওয়ায় গ্রাম থেকে অনেক মানুষ শহরে ফিরছেন। এ ছাড়া লাঙ্গলবন্দ পূণ্যস্নানে প্রচুর পুণ্যার্থী আসায় গাড়ির চাপ বেড়ে গিয়েছিল। এতে মহাসড়কে ধীরগতি থাকলেও কোনো যানজট ছিল না। তবে দুপুর ২টার পর মহাসড়কের কোথাও কোনো যানজট আমরা পাইনি। যানজট নিরশনে আমাদের একাধিক টিম কাজ করে যাচ্ছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়ির চাপ থাকলেও নেই যানজট
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়ির চাপ থাকলেও যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। শনিবার (২৯ মার্চ) বিকেল ৬টায় মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের মেঘনাটোল প্লাজা থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার এলাকায় কোনো যানজট দেখা যায়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোর থেকে মহাসড়কে ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষ ও লাঙ্গলবন্দ পূণ্যস্নানে অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পুণ্যার্থীদের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। তবে দুপুর ২টার পর থেকে যানজট স্বাভাবিক হয়। মহাসড়কেও নির্বিঘ্নে গাড়ি চলাচল করছে।
কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে লাঙ্গলবন্দ পূণ্যস্নানে আসা বিথিকা রাণী দাস নামে এ নারী বলেন, পাপমোচনের উদ্দেশে স্বামী ও সন্তান নিয়ে লাঙ্গলবন্দের ব্রহ্মপুত্র নদীতে স্নান করতে এসেছি। আমরা রাস্তায় কোনো যানজট পাইনি। নির্বিঘ্নে খুব কম সময়ের মধ্যে চলে আসতে পেরেছি।
শ্রাবণ পরিবহনের হেল্পার মো. ইমন বলেন, সকালে যাত্রীর চাপ একটু বেশি ছিল কিন্তু এখন সে তুলনায় যাত্রী নেই।
তিনি আরও বলেন, সকালের দিকে মেঘনা থেকে লাঙ্গলবন্দ আসতে যানজট ছিল তবে এখন সড়ক পুরোপুরি স্বাভাবিক আছে।
কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াহিদ মোর্শেদ বলেন, মহাসড়কে বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের সংখ্যা বাড়লেও আমাদের একাধিক টিম মাঠে থাকায় এখন কোনো যানজট নেই।
তিনি আরও বলেন, সরকারি ছুটি শেষ হয়ে যাওয়ায় গ্রাম থেকে অনেক মানুষ শহরে ফিরছেন। এ ছাড়া লাঙ্গলবন্দ পূণ্যস্নানে প্রচুর পুণ্যার্থী আসায় গাড়ির চাপ বেড়ে গিয়েছিল। এতে মহাসড়কে ধীরগতি থাকলেও কোনো যানজট ছিল না। তবে দুপুর ২টার পর মহাসড়কের কোথাও কোনো যানজট আমরা পাইনি। যানজট নিরশনে আমাদের একাধিক টিম কাজ করে যাচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 5:05 am