একদিন পরেই মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। তাই তো প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাট দিয়ে রাতেও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষ তাদের বাড়ি ফিরছে।
বৃহস্পতিবার (৫ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে।
ঘাট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, সরকারি ছুটির প্রথম দিনেই সকাল থেকেই দৌলতদিয়া ঘাটে ছিল ঘরমুখো মানুষের ভিড়। পাটুরিয়া থেকে প্রত্যেকটি ফেরি ও লঞ্চ যানবাহন যাত্রী বোঝাই করে দৌলতদিয়া প্রান্তে আসে। এ ধারা অব্যাহত থাকে রাতেও। রাতে পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে আসা প্রত্যেকটি ফেরিতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ ও লোকাল যাত্রীর চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে কোনো প্রকার ভোগান্তি ছাড়াই তারা দৌলতদিয়া থেকে তাদের গন্তব্যের উদ্দেশে যেতে পারছেন।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. সালাহউদ্দিন বলেন, সকাল থেকেই দৌলতদিয়া ঘাটে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ ছিল। তবে কোনো প্রকার যানজট বা ভোগান্তি ছিল না। রাতেও পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে আসা প্রত্যেকটি ফেরিতে ছিল ঘরমুখো মানুষের ভিড়। তারা ভোগান্তি ছাড়াই নদী পার হতে পাড়ছে। এই নৌরুটে ছোট-বড় মিলে ১৭টি ফেরি দিয়ে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে।
রাতেও দৌলতদিয়া ঘাটে ঘরমুখো মানুষের ঢল
একদিন পরেই মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। তাই তো প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাট দিয়ে রাতেও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষ তাদের বাড়ি ফিরছে।
বৃহস্পতিবার (৫ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে।
ঘাট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, সরকারি ছুটির প্রথম দিনেই সকাল থেকেই দৌলতদিয়া ঘাটে ছিল ঘরমুখো মানুষের ভিড়। পাটুরিয়া থেকে প্রত্যেকটি ফেরি ও লঞ্চ যানবাহন যাত্রী বোঝাই করে দৌলতদিয়া প্রান্তে আসে। এ ধারা অব্যাহত থাকে রাতেও। রাতে পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে আসা প্রত্যেকটি ফেরিতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ ও লোকাল যাত্রীর চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে কোনো প্রকার ভোগান্তি ছাড়াই তারা দৌলতদিয়া থেকে তাদের গন্তব্যের উদ্দেশে যেতে পারছেন।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. সালাহউদ্দিন বলেন, সকাল থেকেই দৌলতদিয়া ঘাটে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ ছিল। তবে কোনো প্রকার যানজট বা ভোগান্তি ছিল না। রাতেও পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে আসা প্রত্যেকটি ফেরিতে ছিল ঘরমুখো মানুষের ভিড়। তারা ভোগান্তি ছাড়াই নদী পার হতে পাড়ছে। এই নৌরুটে ছোট-বড় মিলে ১৭টি ফেরি দিয়ে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 5:03 am