টানা বৃষ্টিতে সাভার পৌর এলাকার কাঞ্চনপুর মহল্লায় সৃষ্টি হয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা। পানি নিষ্কাশনের উপযুক্ত ব্যবস্থা না থাকায় ড্রেনের নোংরা পানি ও বৃষ্টির পানি মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। ফলে ওই এলাকার অর্ধশতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, টানা বর্ষণের পর থেকেই কাঞ্চনপুর এলাকার রাস্তাঘাট ও বাসা-বাড়ির চারপাশ হাঁটু পানিতে তলিয়ে যায়। সঠিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা এবং বেশ কিছু ড্রেন ময়লা-আবর্জনায় আবদ্ধ হয়ে থাকায় পানি বের হতে পারছে না। এতে বসতবাড়ি ও আঙিনায় পানি প্রবেশ করেছে। রান্নাবান্না, শৌচাগার ব্যবহার এবং নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে বের হওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে পরিবারগুলো।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিনের ড্রেনেজ সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই এই এলাকা প্লাবিত হয়। ড্রেন উপচে নোংরা পানি ঘরের সামনে জমে থাকায় ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ এবং বাড়ছে মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি। পৌর কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার বিষয়টি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধা হাবিবা জানান, শুধুমাত্র তিন মাস এই এলাকায় পানি থাকে না। কিন্তু অন্য সব সময় বাসা বাড়ির সামনে পানি থাকে। অনেক মানুষ এই এলাকাতে নৌকা দিয়ে চলাচল করেন। পৌরসভার ভেতরে হওয়া সত্ত্বেও এমন পানিপন্দি থাকতে হয় বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
আমির হোসেন নামে স্থায়ী আরও এক ব্যক্তি জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা ও ঘরে পানি প্রবেশ করে। এসব ময়লা পানি উপর দিয়ে হেঁটে শিক্ষার্থীরা স্কুল কলেজে যায়। এতে বিভিন্ন রকম পানিবাহী ও চর্মরোগ দেখা দিচ্ছে। এছাড়া সবাই এই জমে থাকা নোংরা পানিতে হেঁটে ব্যবসা-বাণিজ্য ও চাকরিতে বাধ্য হয়ে যেতে হচ্ছে। একাধিকবার পৌর কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হলেও কোন প্রতিকার মেলেনি বলে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।
তালুকদার জাহিদুল ইসলাম জুয়েল নামে অপর ব্যক্তি জানান, কাঞ্চনপুর মূলত সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের একটি মহল্লা। কিন্তু অল্প বৃষ্টি হলেই ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। আমরা এর দ্রুত প্রতিকার চাই। এমপি মহোদয় ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম বলেন, সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাঞ্চনপুর মহল্লায় প্রায় অর্ধশত পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। কারণ বৃষ্টির মৌসুমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় এবং লোকজন বাঁশের সাকু দিয়ে চলাচল করে। আমরা এই অর্থবছরে ওই ওই মহল্লায় একটি ড্রেন ও রাস্তা নির্মাণ করব। এতে আগামী বছর থেকে তাদের আর পানিবন্দি জীবন পার করতে হবে না বলে জানান নির্বাহী ওই কর্মকর্তা।
সাভারে পৌর এলাকায় জলাবদ্ধতা, অর্ধশতাধিক পরিবার পানিবন্দি
টানা বৃষ্টিতে সাভার পৌর এলাকার কাঞ্চনপুর মহল্লায় সৃষ্টি হয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা। পানি নিষ্কাশনের উপযুক্ত ব্যবস্থা না থাকায় ড্রেনের নোংরা পানি ও বৃষ্টির পানি মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। ফলে ওই এলাকার অর্ধশতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, টানা বর্ষণের পর থেকেই কাঞ্চনপুর এলাকার রাস্তাঘাট ও বাসা-বাড়ির চারপাশ হাঁটু পানিতে তলিয়ে যায়। সঠিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা এবং বেশ কিছু ড্রেন ময়লা-আবর্জনায় আবদ্ধ হয়ে থাকায় পানি বের হতে পারছে না। এতে বসতবাড়ি ও আঙিনায় পানি প্রবেশ করেছে। রান্নাবান্না, শৌচাগার ব্যবহার এবং নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে বের হওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে পরিবারগুলো।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিনের ড্রেনেজ সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই এই এলাকা প্লাবিত হয়। ড্রেন উপচে নোংরা পানি ঘরের সামনে জমে থাকায় ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ এবং বাড়ছে মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি। পৌর কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার বিষয়টি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধা হাবিবা জানান, শুধুমাত্র তিন মাস এই এলাকায় পানি থাকে না। কিন্তু অন্য সব সময় বাসা বাড়ির সামনে পানি থাকে। অনেক মানুষ এই এলাকাতে নৌকা দিয়ে চলাচল করেন। পৌরসভার ভেতরে হওয়া সত্ত্বেও এমন পানিপন্দি থাকতে হয় বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
আমির হোসেন নামে স্থায়ী আরও এক ব্যক্তি জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা ও ঘরে পানি প্রবেশ করে। এসব ময়লা পানি উপর দিয়ে হেঁটে শিক্ষার্থীরা স্কুল কলেজে যায়। এতে বিভিন্ন রকম পানিবাহী ও চর্মরোগ দেখা দিচ্ছে। এছাড়া সবাই এই জমে থাকা নোংরা পানিতে হেঁটে ব্যবসা-বাণিজ্য ও চাকরিতে বাধ্য হয়ে যেতে হচ্ছে। একাধিকবার পৌর কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হলেও কোন প্রতিকার মেলেনি বলে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।
তালুকদার জাহিদুল ইসলাম জুয়েল নামে অপর ব্যক্তি জানান, কাঞ্চনপুর মূলত সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের একটি মহল্লা। কিন্তু অল্প বৃষ্টি হলেই ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। আমরা এর দ্রুত প্রতিকার চাই। এমপি মহোদয় ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম বলেন, সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাঞ্চনপুর মহল্লায় প্রায় অর্ধশত পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। কারণ বৃষ্টির মৌসুমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় এবং লোকজন বাঁশের সাকু দিয়ে চলাচল করে। আমরা এই অর্থবছরে ওই ওই মহল্লায় একটি ড্রেন ও রাস্তা নির্মাণ করব। এতে আগামী বছর থেকে তাদের আর পানিবন্দি জীবন পার করতে হবে না বলে জানান নির্বাহী ওই কর্মকর্তা।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: August 24, 2026, 2:48 am