মাগুরার মহম্মদপুরে রাতের আঁধারে সংঘের নাম ব্যবহার করে সরকারি খাসজমি দখল করে টিনের ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে ব্যাপাড়ীপাড়া যুব সংঘের সদস্যদের বিরুদ্ধে। উপজেলা সদরের সরকারি ডাকবাংলোর উত্তর পাশে খাস খতিয়ানভুক্ত ওই জমিতে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে একটি তৈরি করা টিনের ঘর এনে বসিয়ে দেওয়া হয়। সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রোববার গভীর রাতে ব্যাপাড়ীপাড়া যুব সংঘের নাম ব্যবহার করে ব্যাপাড়ীপাড়া গ্রামের করিম বিশ্বাস একটি তৈরি করা টিনের ঘর এনে সরকারি ওই জায়গায় স্থাপন করেন। রাতারাতি সরকারি জমিতে স্থাপনা নির্মাণের ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
স্থানীয়রা জানান, ওই জায়গায় একসময় প্রেসক্লাব মহম্মদপুরের সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে প্রেসক্লাবের নামে একটি নামফলক স্থাপন করা হয়েছিল। তাদের দাবি, জায়গাটি সরকারি হওয়ায় সেখানে রাতের আঁধারে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের নামে স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। সরকারি জমি দখলের অভিযোগটি তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬২ সালের জরিপ অনুযায়ী জমিটি সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত। হাল রেকর্ড অনুযায়ী মহম্মদপুর মৌজার ১ নম্বর খতিয়ানের ১২৭৯ ও ১২৮০ দাগে জমিটি ‘ক্লাব’ নামে রেকর্ডভুক্ত রয়েছে।
এ বিষয়ে প্রেসক্লাব মহম্মদপুরের সিনিয়র সহসভাপতি মো. মেহেদী হাসান পলাশ বলেন, জায়গাটি প্রেসক্লাব মহম্মদপুরের। সেখানে প্রেসক্লাবের নামফলকও রয়েছে। সরকারি জায়গায় রাতের আঁধারে টিনের ঘর নির্মাণের বিষয়টি তারা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থাপনাটি দ্রুত অপসারণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য তানজির রহমান সোহাগ বলেন, ‘সকালে ঘুম থেকে উঠে জানতে পারি, ব্যাপাড়ীপাড়া সংঘের নামে সরকারি জমিটি দখল করা হয়েছে। এভাবে সরকারি জায়গা দখল করে রাখায় সরকারি ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, দ্রুত তদন্ত করে দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’
অভিযোগের বিষয়ে করিম বিশ্বাস বলেন, ‘এটা আমাদের সংঘের জায়গা। আমরা আমাদের সংঘের জায়গাতেই ঘর তুলেছি।’ তবে উপজেলা ভূমি অফিস বলছে, রাতে যে জায়গায় স্থাপনাটি নির্মাণ করা হয়েছে, সেটি সরকারি জায়গা।
মহম্মদপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদমান আকিব বলেন, ‘রাতে যে জায়গায় ঘর তোলা হয়েছে, সেটি সরকারি জায়গা। যারা ঘর তুলেছেন, তাদের আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তারা স্থাপনাটি সরিয়ে নেবেন। অন্যথায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে স্থাপনাটি অপসারণ করা হবে।’
রাতের আঁধারে সংঘের নামে সরকারি জমি দখল করে টিনের ঘর নির্মাণ
মাগুরার মহম্মদপুরে রাতের আঁধারে সংঘের নাম ব্যবহার করে সরকারি খাসজমি দখল করে টিনের ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে ব্যাপাড়ীপাড়া যুব সংঘের সদস্যদের বিরুদ্ধে। উপজেলা সদরের সরকারি ডাকবাংলোর উত্তর পাশে খাস খতিয়ানভুক্ত ওই জমিতে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে একটি তৈরি করা টিনের ঘর এনে বসিয়ে দেওয়া হয়। সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রোববার গভীর রাতে ব্যাপাড়ীপাড়া যুব সংঘের নাম ব্যবহার করে ব্যাপাড়ীপাড়া গ্রামের করিম বিশ্বাস একটি তৈরি করা টিনের ঘর এনে সরকারি ওই জায়গায় স্থাপন করেন। রাতারাতি সরকারি জমিতে স্থাপনা নির্মাণের ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
স্থানীয়রা জানান, ওই জায়গায় একসময় প্রেসক্লাব মহম্মদপুরের সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে প্রেসক্লাবের নামে একটি নামফলক স্থাপন করা হয়েছিল। তাদের দাবি, জায়গাটি সরকারি হওয়ায় সেখানে রাতের আঁধারে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের নামে স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। সরকারি জমি দখলের অভিযোগটি তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬২ সালের জরিপ অনুযায়ী জমিটি সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত। হাল রেকর্ড অনুযায়ী মহম্মদপুর মৌজার ১ নম্বর খতিয়ানের ১২৭৯ ও ১২৮০ দাগে জমিটি ‘ক্লাব’ নামে রেকর্ডভুক্ত রয়েছে।
এ বিষয়ে প্রেসক্লাব মহম্মদপুরের সিনিয়র সহসভাপতি মো. মেহেদী হাসান পলাশ বলেন, জায়গাটি প্রেসক্লাব মহম্মদপুরের। সেখানে প্রেসক্লাবের নামফলকও রয়েছে। সরকারি জায়গায় রাতের আঁধারে টিনের ঘর নির্মাণের বিষয়টি তারা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থাপনাটি দ্রুত অপসারণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য তানজির রহমান সোহাগ বলেন, ‘সকালে ঘুম থেকে উঠে জানতে পারি, ব্যাপাড়ীপাড়া সংঘের নামে সরকারি জমিটি দখল করা হয়েছে। এভাবে সরকারি জায়গা দখল করে রাখায় সরকারি ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, দ্রুত তদন্ত করে দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’
অভিযোগের বিষয়ে করিম বিশ্বাস বলেন, ‘এটা আমাদের সংঘের জায়গা। আমরা আমাদের সংঘের জায়গাতেই ঘর তুলেছি।’ তবে উপজেলা ভূমি অফিস বলছে, রাতে যে জায়গায় স্থাপনাটি নির্মাণ করা হয়েছে, সেটি সরকারি জায়গা।
মহম্মদপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদমান আকিব বলেন, ‘রাতে যে জায়গায় ঘর তোলা হয়েছে, সেটি সরকারি জায়গা। যারা ঘর তুলেছেন, তাদের আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তারা স্থাপনাটি সরিয়ে নেবেন। অন্যথায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে স্থাপনাটি অপসারণ করা হবে।’
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: September 14, 2026, 11:54 am