কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনটি দিনদিন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফাঁটল ধরছে বিভিন্ন পিলারে। খসে পড়ছে ছাদের পলেস্তারা। নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন আইনজীবী ও বিচার প্রার্থীরা। ওই আদালতের বিভিন্ন স্তরে কর্মরতরাও ঝুঁকিমুক্ত নয়। যে কোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে মনে করছে স্থানীয়রা।
এডভোকেট খালেদুল কবির বলেন, মঙ্গলবার (৩০ মে) সকাল ৯টার দিকে ছাদের ৩টি অংশে পলেস্তারা ভেঙ্গে পড়ে। তবে কেউ আহত না হলেও ঘটনা দেখে সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এর আগেও বেশ কয়েকবার পলেস্তারা খসে পড়ার ঘটনা ঘটে।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের আরো কয়েক জায়গায় ফাঁটল ধরেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
প্রশাসনিক কর্মকতা (ভারপ্রাপ্ত) আশেক ইলাহী শাহজাহান নূরী বলেন, ১৯৫২ সালে ভবনটি করেছে গণপূর্ত বিভাগ। সেই থেকে এখনো কোন সংস্কার নেই। প্রায় সব পিলারে ফাঁটল ধরেছে।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকালে এজলাস কক্ষের ছাদের বেশ কয়েকটি অংশে পলেস্তারা খসে পড়ে। তখনো আদালতের বিচার কার্যক্রম শুরু হয় নি। লোকজনের সমাগমও তেমন ঘটে নি। না হলে বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল। বিচারক, আইনজীবীসহ আমরা সবাই ঝুঁকিতে।
এ বিষয়ে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অবগত করেছি। তারা কি ব্যবস্থা নেয় দেখি।
এ বিষয়ে জানতে গণপূর্ত কক্সবাজার অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহজাহানকে ফোনে পাওয়া যায় নি।
আদালত ভবনের পিলারে ফাঁটল, খসে পড়লো ছাদের পলেস্তারা
কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনটি দিনদিন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফাঁটল ধরছে বিভিন্ন পিলারে। খসে পড়ছে ছাদের পলেস্তারা। নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন আইনজীবী ও বিচার প্রার্থীরা। ওই আদালতের বিভিন্ন স্তরে কর্মরতরাও ঝুঁকিমুক্ত নয়। যে কোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে মনে করছে স্থানীয়রা।
এডভোকেট খালেদুল কবির বলেন, মঙ্গলবার (৩০ মে) সকাল ৯টার দিকে ছাদের ৩টি অংশে পলেস্তারা ভেঙ্গে পড়ে। তবে কেউ আহত না হলেও ঘটনা দেখে সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এর আগেও বেশ কয়েকবার পলেস্তারা খসে পড়ার ঘটনা ঘটে।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের আরো কয়েক জায়গায় ফাঁটল ধরেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
প্রশাসনিক কর্মকতা (ভারপ্রাপ্ত) আশেক ইলাহী শাহজাহান নূরী বলেন, ১৯৫২ সালে ভবনটি করেছে গণপূর্ত বিভাগ। সেই থেকে এখনো কোন সংস্কার নেই। প্রায় সব পিলারে ফাঁটল ধরেছে।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকালে এজলাস কক্ষের ছাদের বেশ কয়েকটি অংশে পলেস্তারা খসে পড়ে। তখনো আদালতের বিচার কার্যক্রম শুরু হয় নি। লোকজনের সমাগমও তেমন ঘটে নি। না হলে বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল। বিচারক, আইনজীবীসহ আমরা সবাই ঝুঁকিতে।
এ বিষয়ে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অবগত করেছি। তারা কি ব্যবস্থা নেয় দেখি।
এ বিষয়ে জানতে গণপূর্ত কক্সবাজার অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহজাহানকে ফোনে পাওয়া যায় নি।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 5:08 am