কক্সবাজার শহরে পাহাড় ধসে ইয়াসিন আরাফাত (২২) নামে এক যুবক মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (২৭ জুন ) দিবাগত রাত ১টার দিকে কক্সবাজার শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাহাড়তলী ইসলামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহেদ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহেদ চৌধুরী বলেন, শহরের পাহাড়তলীতে পাহাড় ধসের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে আসি। পরে মাটির নিচ থেকে এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। তাকে হাসপাতাল নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কয়েকজন শ্রমিক মিলে ওই এলাকায় পাহাড় কাটছিলেন। হঠাৎ পাহাড় ধস হলে বাকিরা রক্ষা পেলেও ইয়াসিন মাটি চাপা পড়ে। খবর পেয়ে কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে মাটির নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
এলাকাবাসী জানান, পাহাড় ধসে নিহত যুবক ইয়াসিন মিয়ানমারের নাগরিক। রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পালিয়ে এসে তিনি তার বাবা-মাকে নিয়ে শহরের পাহাড়তলী ইসলামপুরের একটি ভাড়া করা বাসায় দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় নুরুল হোসাইন বলেন, গত ৪ মাস আগে সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিল্লুর রহমান পাহাড় কাটার খবরে ওই স্থানটি পরিদর্শন করেছিলেন। তারপরও পাহাড় কাটা বন্ধ হয়নি। রাতের অন্ধকারে রোহিঙ্গা শ্রমিকরা পাহাড় কাটে।
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে যুবকের মৃত্যু
কক্সবাজার শহরে পাহাড় ধসে ইয়াসিন আরাফাত (২২) নামে এক যুবক মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (২৭ জুন ) দিবাগত রাত ১টার দিকে কক্সবাজার শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাহাড়তলী ইসলামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহেদ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহেদ চৌধুরী বলেন, শহরের পাহাড়তলীতে পাহাড় ধসের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে আসি। পরে মাটির নিচ থেকে এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। তাকে হাসপাতাল নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কয়েকজন শ্রমিক মিলে ওই এলাকায় পাহাড় কাটছিলেন। হঠাৎ পাহাড় ধস হলে বাকিরা রক্ষা পেলেও ইয়াসিন মাটি চাপা পড়ে। খবর পেয়ে কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে মাটির নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
এলাকাবাসী জানান, পাহাড় ধসে নিহত যুবক ইয়াসিন মিয়ানমারের নাগরিক। রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পালিয়ে এসে তিনি তার বাবা-মাকে নিয়ে শহরের পাহাড়তলী ইসলামপুরের একটি ভাড়া করা বাসায় দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় নুরুল হোসাইন বলেন, গত ৪ মাস আগে সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিল্লুর রহমান পাহাড় কাটার খবরে ওই স্থানটি পরিদর্শন করেছিলেন। তারপরও পাহাড় কাটা বন্ধ হয়নি। রাতের অন্ধকারে রোহিঙ্গা শ্রমিকরা পাহাড় কাটে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 22, 2026, 5:23 am