লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের মদাতী ইউনিয়নের শাখাতি এলাকায় একটি খাল থেকে বালু উত্তোলন করছে স্থানীয় সংঘবদ্ধ একটি মহল। এমন খবরে উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে ১২০০ ঘনফুট বালু জব্দ করে। এরপর সেই বালু নিলামে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দিতি রায় জব্দকৃত বালু নিলামে দেন। বালু উত্তোলনকারী ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন ও জালাল উদ্দিন পালিয়ে গেছেন।
সর্বোচ্চ দরদাতা আলমঙ্গীর হোসেনের নিকট ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এ সময় সেখানে ছিলেন মদাতী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বিপ্লব, কালীগঞ্জ থানার এসআই আলামিন।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন থেকে উপজেলার শাখাতি এলাকায় ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন ও জালাল উদ্দিন বালু তুলছেন। তাদের নিষেধ করলেও তারা আমলে নেন না। পরে উপায় না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিফাত আনোয়ার তুমপাকে জানানো হয়। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দিতি রায় উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে ১২০০ ঘনফুট বালু জব্দ করে। সেখানে নিলাম দিয়ে সর্বোচ্চ দরদাতা আলমঙ্গীর হোসেনের নিকট ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে উপজেলা প্রশাসন।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দিতি রায় বলেন, শাখাতির অংশে অবৈধভাবে উত্তোলন করে ফেলে যাওয়া বালু জব্দ করে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। নদী কিংবা পুকুর থেকে কেউ বালু উত্তোলন করে থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লালমনিরহাটে উত্তোলনকারীদের ফেলে যাওয়া বালু নিলামে বিক্রি
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের মদাতী ইউনিয়নের শাখাতি এলাকায় একটি খাল থেকে বালু উত্তোলন করছে স্থানীয় সংঘবদ্ধ একটি মহল। এমন খবরে উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে ১২০০ ঘনফুট বালু জব্দ করে। এরপর সেই বালু নিলামে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দিতি রায় জব্দকৃত বালু নিলামে দেন। বালু উত্তোলনকারী ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন ও জালাল উদ্দিন পালিয়ে গেছেন।
সর্বোচ্চ দরদাতা আলমঙ্গীর হোসেনের নিকট ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এ সময় সেখানে ছিলেন মদাতী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বিপ্লব, কালীগঞ্জ থানার এসআই আলামিন।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন থেকে উপজেলার শাখাতি এলাকায় ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন ও জালাল উদ্দিন বালু তুলছেন। তাদের নিষেধ করলেও তারা আমলে নেন না। পরে উপায় না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিফাত আনোয়ার তুমপাকে জানানো হয়। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দিতি রায় উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে ১২০০ ঘনফুট বালু জব্দ করে। সেখানে নিলাম দিয়ে সর্বোচ্চ দরদাতা আলমঙ্গীর হোসেনের নিকট ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে উপজেলা প্রশাসন।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দিতি রায় বলেন, শাখাতির অংশে অবৈধভাবে উত্তোলন করে ফেলে যাওয়া বালু জব্দ করে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। নদী কিংবা পুকুর থেকে কেউ বালু উত্তোলন করে থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সায়েম |
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিরংঝা, কক্সবাজার
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: February 26, 2026, 5:13 am