এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এডিবির গবেষণা বলছে, বাংলাদেশে ১৩ লাখ ডিজেলচালিত সেচ পাম্প রয়েছে। এগুলো সৌর পাম্পে রূপান্তর করা গেলে বছরে চার লাখ টন ডিজেল সাশ্রয় হবে, যার মূল্য প্রায় ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।
২০২৩ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত ওই গবেষণায় ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের সেচ ব্যবস্থাকে সৌরশক্তিতে রুপান্তরের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত প্রতিষ্ঠান ‘ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড’ ইডকল ২০১১ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে সারাদেশে প্রায় ১৯ হাজার সৌর পাম্প স্থাপনের লক্ষ্য নিয়েছিল। তবে মাত্র তিন হাজার সেচ পাম্পকে সৌর বিদ্যুতের আওতায় আনা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সৌর সেচ পাম্প জনপ্রিয় করতে হলে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে এর সংযোগ দরকার।
সৌর সেচ পাম্প নিয়ে কৃষকদের অভিজ্ঞতা
ঝিনাইদহের বালিয়াডাঙ্গার কৃষক নাসির উদ্দিন মন্ডল এমন পাম্প ব্যবহার করেন। ডয়চে ভেলেকে তিনি বলেন, ‘‘আমার অভিজ্ঞতা খুবই ভালো। ২০১৬ সালে ইডকলের সহযোগিতায় আমি পাম্পটি বসিয়েছি। এখনও দারুণ সার্ভিস দিচ্ছে। কেন যে কৃষকরা এটা করে না, আমি বুঝি না। আমি শুধু ধান না, অফ সিজনে মরিচসহ অন্য আবাদও করি। একেবারেই খরচ কম।’’
এত সুবিধা থাকার পরও সৌরচালিত সেচ পাম্প জনপ্রিয় না হওয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘‘আমি তো প্রায় ১২ মাসই কিছু না কিছু করি। ফলে আমারটাতে সমস্যা হয় না। কিন্তু যারা এক আবাদে ধান চাষ করে তাদের সমস্যা হয়। অন্যসময় তো এই বিদ্যুৎ নষ্ট হচ্ছে, অপচয় হচ্ছে। এটা জাতীয় গ্রিডে দিতে পারলে অনেক উপকার হতো। কিন্তু কাজটা হচ্ছে না। আবার এটা নিতে গেলে অনেক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিতে হয়। এতে অনেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।’’
একই এলাকার আরেক কৃষক আসাদুজ্জামান মন্ডলও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন।
ডিজেলের বদলে সৌর পাম্পে বাঁচতে পারে ২৫ হাজার কোটি টাকা
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এডিবির গবেষণা বলছে, বাংলাদেশে ১৩ লাখ ডিজেলচালিত সেচ পাম্প রয়েছে। এগুলো সৌর পাম্পে রূপান্তর করা গেলে বছরে চার লাখ টন ডিজেল সাশ্রয় হবে, যার মূল্য প্রায় ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।
২০২৩ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত ওই গবেষণায় ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের সেচ ব্যবস্থাকে সৌরশক্তিতে রুপান্তরের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত প্রতিষ্ঠান ‘ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড’ ইডকল ২০১১ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে সারাদেশে প্রায় ১৯ হাজার সৌর পাম্প স্থাপনের লক্ষ্য নিয়েছিল। তবে মাত্র তিন হাজার সেচ পাম্পকে সৌর বিদ্যুতের আওতায় আনা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সৌর সেচ পাম্প জনপ্রিয় করতে হলে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে এর সংযোগ দরকার।
সৌর সেচ পাম্প নিয়ে কৃষকদের অভিজ্ঞতা
ঝিনাইদহের বালিয়াডাঙ্গার কৃষক নাসির উদ্দিন মন্ডল এমন পাম্প ব্যবহার করেন। ডয়চে ভেলেকে তিনি বলেন, ‘‘আমার অভিজ্ঞতা খুবই ভালো। ২০১৬ সালে ইডকলের সহযোগিতায় আমি পাম্পটি বসিয়েছি। এখনও দারুণ সার্ভিস দিচ্ছে। কেন যে কৃষকরা এটা করে না, আমি বুঝি না। আমি শুধু ধান না, অফ সিজনে মরিচসহ অন্য আবাদও করি। একেবারেই খরচ কম।’’
এত সুবিধা থাকার পরও সৌরচালিত সেচ পাম্প জনপ্রিয় না হওয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘‘আমি তো প্রায় ১২ মাসই কিছু না কিছু করি। ফলে আমারটাতে সমস্যা হয় না। কিন্তু যারা এক আবাদে ধান চাষ করে তাদের সমস্যা হয়। অন্যসময় তো এই বিদ্যুৎ নষ্ট হচ্ছে, অপচয় হচ্ছে। এটা জাতীয় গ্রিডে দিতে পারলে অনেক উপকার হতো। কিন্তু কাজটা হচ্ছে না। আবার এটা নিতে গেলে অনেক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিতে হয়। এতে অনেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।’’
একই এলাকার আরেক কৃষক আসাদুজ্জামান মন্ডলও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 22, 2026, 4:54 am