ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নিয়েছেন লাখ লাখ মানুষ। তবে এতে উপস্থিত হননি তার ছেলে ও বর্তমান সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি।
জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি অব কাতারের সহযোগী প্রফেসর পল মুসগ্রাভ সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে শনিবার (৪ জুলাই) বলেছেন, কেন মোজতবা শেষ বিদায়ে নেই তা খুবই সহজবোধ্য।
তিনি বলেন, “ইরান ধরে নিয়েছে ইসরায়েল এই অন্তোষ্টিক্রিয়ায় নেতৃবৃন্দকে হত্যার জন্য দ্বিতীয়বারের মতো হামলা চালাতে পারে। অতীতে ইরান এমন জানাজাকে রাজনৈতিক নেতাদের হত্যার জন্য ব্যবহার করেছে।”
তবে তার মতে, দেশের শীর্ষ নেতার প্রকাশ্যে আসা উচিত। কারণ মোজতবাকে সর্বশেষ গত কয়েকমাস আগে দেখা গিয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, “আমি মনে করি ইরানকে এমন একটি উপায় বের করতে হবে যেটি দেখাবে তাদের সুপ্রিম লিডার আড়ালে থাকা কোনো ব্যক্তি নয়। তিনি আসলে সেই ব্যক্তি যিনি দেশের সত্যিকার দায়িত্বে রয়েছেন। যদিও এ মুহূর্তে ইরানের নিরাপত্তার শঙ্কা থাকার বিষয়টি হয়ত সঠিক। কিন্তু তাদের আসলে সুপ্রিম লিডারকে প্রকাশ্যে আনতে হবে।”
গতকাল বিদেশি অতিথিদের শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে খামেনিকে শেষ বিদায় জানানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। আজ তার মরদেহবাহী কফিন সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এখন তারা তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।
বাবার শেষ বিদায়ে কেন নেই মোজতবা খামেনি
ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নিয়েছেন লাখ লাখ মানুষ। তবে এতে উপস্থিত হননি তার ছেলে ও বর্তমান সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি।
জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি অব কাতারের সহযোগী প্রফেসর পল মুসগ্রাভ সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে শনিবার (৪ জুলাই) বলেছেন, কেন মোজতবা শেষ বিদায়ে নেই তা খুবই সহজবোধ্য।
তিনি বলেন, “ইরান ধরে নিয়েছে ইসরায়েল এই অন্তোষ্টিক্রিয়ায় নেতৃবৃন্দকে হত্যার জন্য দ্বিতীয়বারের মতো হামলা চালাতে পারে। অতীতে ইরান এমন জানাজাকে রাজনৈতিক নেতাদের হত্যার জন্য ব্যবহার করেছে।”
তবে তার মতে, দেশের শীর্ষ নেতার প্রকাশ্যে আসা উচিত। কারণ মোজতবাকে সর্বশেষ গত কয়েকমাস আগে দেখা গিয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, “আমি মনে করি ইরানকে এমন একটি উপায় বের করতে হবে যেটি দেখাবে তাদের সুপ্রিম লিডার আড়ালে থাকা কোনো ব্যক্তি নয়। তিনি আসলে সেই ব্যক্তি যিনি দেশের সত্যিকার দায়িত্বে রয়েছেন। যদিও এ মুহূর্তে ইরানের নিরাপত্তার শঙ্কা থাকার বিষয়টি হয়ত সঠিক। কিন্তু তাদের আসলে সুপ্রিম লিডারকে প্রকাশ্যে আনতে হবে।”
গতকাল বিদেশি অতিথিদের শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে খামেনিকে শেষ বিদায় জানানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। আজ তার মরদেহবাহী কফিন সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এখন তারা তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 22, 2026, 4:03 am