ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাসের চাপায় ৫ জন নিহতের ঘটনায় ক্ষিপ্ত এলাকাবাসীর অবরোধ ও গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ায় বন্ধ থাকা ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল শুরু হয়েছে।
শনিবার (১২ জুলাই) রাত ১২টার দিকে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে এই মহাসড়কটি বন্ধ ছিল।
ভাঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভাঙ্গার আলগী ইউনিয়নের সোয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ঢাকা থেকে খুলনাগামী একটি ডিমের ট্রাকের চাকা ফেটে যায়। এ সময় ডিমের গাড়িটি সড়কের ওপর উল্টে পড়ে। এর ফলে ডিম সড়কের ওপর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ডিম কুড়াতে এগিয়ে আসে। ওই সময় ঢাকা থেকে নড়াইলগামী নড়াইল এক্সপ্রেসের একটি বাস তাদের পিষে চলে গেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে চারজন নিহত ও হাসপাতালে একজন মারা যান। পরে এলাকাবাসী উত্তেজিত হয়ে তিনটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং ওই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলালউদ্দিন বলেন, একটি বাস কয়েকজনকে চাপা দিয়ে চলে যাওয়ার পর স্থানীয়রা কয়েকটি গাড়িতে আগুন দেয়। পাশাপাশি তারা মহাসড়কে অবস্থান করে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। পরে রাত ১০টার দিকে স্থানীয় লোকজন চলে গেলেও পুড়িয়ে দেওয়া গাড়িগুলো রেকার দিয়ে সড়কের মাঝখান থেকে সরাতে কিছুটা সময় লাগে। রাত ১২টার দিকে আমরা ওই তিনটি যানবাহন মাঝখান থেকে সরিয়ে সড়কের পাশে আনি।
তিনি বলেন, পুড়িয়ে দেওয়া তিনটি গাড়িসহ ডিমের ট্রাকটি উদ্ধার করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানায় এনে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল শুরু
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাসের চাপায় ৫ জন নিহতের ঘটনায় ক্ষিপ্ত এলাকাবাসীর অবরোধ ও গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ায় বন্ধ থাকা ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল শুরু হয়েছে।
শনিবার (১২ জুলাই) রাত ১২টার দিকে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে এই মহাসড়কটি বন্ধ ছিল।
ভাঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভাঙ্গার আলগী ইউনিয়নের সোয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ঢাকা থেকে খুলনাগামী একটি ডিমের ট্রাকের চাকা ফেটে যায়। এ সময় ডিমের গাড়িটি সড়কের ওপর উল্টে পড়ে। এর ফলে ডিম সড়কের ওপর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী ডিম কুড়াতে এগিয়ে আসে। ওই সময় ঢাকা থেকে নড়াইলগামী নড়াইল এক্সপ্রেসের একটি বাস তাদের পিষে চলে গেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে চারজন নিহত ও হাসপাতালে একজন মারা যান। পরে এলাকাবাসী উত্তেজিত হয়ে তিনটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং ওই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলালউদ্দিন বলেন, একটি বাস কয়েকজনকে চাপা দিয়ে চলে যাওয়ার পর স্থানীয়রা কয়েকটি গাড়িতে আগুন দেয়। পাশাপাশি তারা মহাসড়কে অবস্থান করে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। পরে রাত ১০টার দিকে স্থানীয় লোকজন চলে গেলেও পুড়িয়ে দেওয়া গাড়িগুলো রেকার দিয়ে সড়কের মাঝখান থেকে সরাতে কিছুটা সময় লাগে। রাত ১২টার দিকে আমরা ওই তিনটি যানবাহন মাঝখান থেকে সরিয়ে সড়কের পাশে আনি।
তিনি বলেন, পুড়িয়ে দেওয়া তিনটি গাড়িসহ ডিমের ট্রাকটি উদ্ধার করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানায় এনে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 22, 2026, 4:03 am