চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে ৯ শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। পাশাপাশি নিহত ৯ জনের মধ্যে ৮ জনের মরদেহেরই ময়নাতদন্ত করা হয়নি। এ দুটি ঘটনার মধ্যে ‘বিশেষ সংশ্লেষ’ দেখছেন অনেকে। তারা বলছেন, মামলা না হওয়া এবং ময়নাতদন্তও না হওয়া সন্দেহজনক।
অভিযোগ উঠেছে, কারখানা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের যোগসাজশে ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়ে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে তড়িঘড়ি করে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের আইনজীবী ও শ্রমিকনেতারা বলছেন, ময়নাতদন্ত না হওয়ার কারণে মৃত্যু ও দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হবে। তবে পুলিশের দাবি, ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে, এ ঘটনার একদিন পেরিয়ে গেলেও মামলা না হওয়ার বিষয়ে পুলিশ বলছে, নিহতদের পরিবারের কেউ অভিযোগ জমা দেননি। পুলিশের পক্ষ থেকে তারপরও একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অস্বাভাবিক বা দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে ময়নাতদন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আটটি মরদেহের ময়নাতদন্ত না হওয়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক। এ ব্যাপারে প্রশ্ন তোলার অবকাশ রয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান খান বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারায় অস্বাভাবিক ও দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশকে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করতে হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করতে হয়। এ ধরনের ঘটনায় মৃত্যুর কারণ নির্ধারণের জন্য ময়নাতদন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজ করে। অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে মামলা হলে মৃত্যুর চিকিৎসাগত কারণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ময়নাতদন্ত না থাকলে মৃত্যুর কারণ নিয়ে পরবর্তী সময়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তাই এখানে প্রতিটি মৃত্যুর ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করা উচিত ছিল।
মামলা নেই ময়নাতদন্ত নেই, ৯ শ্রমিকের মৃত্যু নিয়ে কী ঘটছে?
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে ৯ শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। পাশাপাশি নিহত ৯ জনের মধ্যে ৮ জনের মরদেহেরই ময়নাতদন্ত করা হয়নি। এ দুটি ঘটনার মধ্যে ‘বিশেষ সংশ্লেষ’ দেখছেন অনেকে। তারা বলছেন, মামলা না হওয়া এবং ময়নাতদন্তও না হওয়া সন্দেহজনক।
অভিযোগ উঠেছে, কারখানা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের যোগসাজশে ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়ে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে তড়িঘড়ি করে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের আইনজীবী ও শ্রমিকনেতারা বলছেন, ময়নাতদন্ত না হওয়ার কারণে মৃত্যু ও দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হবে। তবে পুলিশের দাবি, ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে, এ ঘটনার একদিন পেরিয়ে গেলেও মামলা না হওয়ার বিষয়ে পুলিশ বলছে, নিহতদের পরিবারের কেউ অভিযোগ জমা দেননি। পুলিশের পক্ষ থেকে তারপরও একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অস্বাভাবিক বা দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে ময়নাতদন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আটটি মরদেহের ময়নাতদন্ত না হওয়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক। এ ব্যাপারে প্রশ্ন তোলার অবকাশ রয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান খান বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারায় অস্বাভাবিক ও দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশকে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করতে হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করতে হয়। এ ধরনের ঘটনায় মৃত্যুর কারণ নির্ধারণের জন্য ময়নাতদন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজ করে। অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে মামলা হলে মৃত্যুর চিকিৎসাগত কারণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ময়নাতদন্ত না থাকলে মৃত্যুর কারণ নিয়ে পরবর্তী সময়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তাই এখানে প্রতিটি মৃত্যুর ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করা উচিত ছিল।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: August 19, 2026, 6:08 pm