রাজবাড়ীর কালুখালীতে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে নানা অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির মালিক ডাক্তার না হয়েও নিজেই নিয়মবহির্ভূতভাবে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।
এছাড়া নামের আগে ‘ডা.’ ব্যবহার, নষ্ট ফ্রিজ ও মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট রাখারও প্রমাণ মিলেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। পরে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে জরিমানা করা হয়।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কালুখালী উপজেলার সালেহা সামাদ হেলথ সার্ভিসেস নামের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
মোবাইল কোর্ট সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের সময় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক আবু হোসেন নিজেই নিয়মবহির্ভূতভাবে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করছিলেন এমন প্রমাণ পাওয়া যায়। একই সঙ্গে তিনি নিয়মবহির্ভূতভাবে নামের আগে ‘ডা.’ শব্দ ব্যবহার করছেন বলেও অভিযানে প্রমাণ পাওয়া যায়।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানের ল্যাবরেটরিতে নষ্ট ফ্রিজ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট পাওয়া যায়। এসব অনিয়মের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামস সাদাত মাহমুদ উল্লাহ প্রতিষ্ঠানটির মালিক আবু হোসেনকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইসরাত জাহান উম্মন। তিনি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সব ধরনের অনিয়ম ও সমস্যা সমাধান করে লাইসেন্স হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে এমবিবিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসক ছাড়া অন্য কাউকে দিয়ে কোনোভাবেই আল্ট্রাসনোগ্রাফি না করানোর জন্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কালুখালী উপজেলায় কোনো ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম বা প্রতারণা চলতে থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে সাধারণ মানুষের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে।
ডাক্তার না হয়েও আল্ট্রাসনোগ্রাফি করান ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক
রাজবাড়ীর কালুখালীতে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে নানা অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির মালিক ডাক্তার না হয়েও নিজেই নিয়মবহির্ভূতভাবে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।
এছাড়া নামের আগে ‘ডা.’ ব্যবহার, নষ্ট ফ্রিজ ও মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট রাখারও প্রমাণ মিলেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। পরে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে জরিমানা করা হয়।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কালুখালী উপজেলার সালেহা সামাদ হেলথ সার্ভিসেস নামের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
মোবাইল কোর্ট সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের সময় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক আবু হোসেন নিজেই নিয়মবহির্ভূতভাবে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করছিলেন এমন প্রমাণ পাওয়া যায়। একই সঙ্গে তিনি নিয়মবহির্ভূতভাবে নামের আগে ‘ডা.’ শব্দ ব্যবহার করছেন বলেও অভিযানে প্রমাণ পাওয়া যায়।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানের ল্যাবরেটরিতে নষ্ট ফ্রিজ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট পাওয়া যায়। এসব অনিয়মের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামস সাদাত মাহমুদ উল্লাহ প্রতিষ্ঠানটির মালিক আবু হোসেনকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইসরাত জাহান উম্মন। তিনি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সব ধরনের অনিয়ম ও সমস্যা সমাধান করে লাইসেন্স হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে এমবিবিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসক ছাড়া অন্য কাউকে দিয়ে কোনোভাবেই আল্ট্রাসনোগ্রাফি না করানোর জন্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কালুখালী উপজেলায় কোনো ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম বা প্রতারণা চলতে থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে সাধারণ মানুষের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: September 19, 2026, 4:01 pm