বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীনকে ছাড়িয়ে গেলো প্রতিবেশী দেশ ভারত। বুধবার (১৯ এপ্রিল) জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চীনের বর্তমান জনসংখ্যা ১৪২ কোটি ৫৭ লাখ। আর ভারতের ১৪২ কোটি ৮৬ লাখ।
১৯৫০ সালে জনসংখ্যার তথ্য সংগ্রহ শুরুর পর প্রথমবার সবচেয়ে জনবহুল দেশের তালিকার শীর্ষে পৌঁছেছে ভারত। কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, চীনের জন্মহার হ্রাস পাওয়ায় ধীরে ধীরে দেশটির জনসংখ্যা কমতে শুরু করেছে। জন্মহার বাড়াতে একাধিক পরিকল্পনা নিয়েছিল শি জিনপিং সরকার। কিন্তু এখনও আগের অবস্থানে ফিরে আসা সম্ভব হয়নি।
২০২১ সালে আদমশুমারির কথা থাকলেও প্রাণঘাতী করোনা মহামারির কারণে তা আর হয়নি। এক্ষেত্রে দেশটিতে প্রকৃত অর্থে জনসংখ্যা কত সে সম্পর্কে সরকারি তথ্য নেই।
জাতিসংঘের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ভারতের জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশের বয়স ১৪ বছরের কম। দেশটির জনসংখ্যার ৬৮ শতাংশ ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী। যেখানে ৭ শতাংশের বয়স ৬৫ বছরের বেশি।
বিভিন্ন সংস্থা ধারণা করছে, আগামী তিন দশক ভারতের জনসংখ্যা বাড়তে থাকবে। দেশটির জনসংখ্যা ১৬৫ কোটি পৌঁছাতে পারে। চলিত বছরের মাঝামাঝিতে বিশ্বের মোট জনসংখ্যা ৮০৪ কোটি ৫০ লাখে দাঁড়াতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
চীন নয়, বিশ্বে এখন জনসংখ্যায় শীর্ষ দেশ ভারত
বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীনকে ছাড়িয়ে গেলো প্রতিবেশী দেশ ভারত। বুধবার (১৯ এপ্রিল) জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চীনের বর্তমান জনসংখ্যা ১৪২ কোটি ৫৭ লাখ। আর ভারতের ১৪২ কোটি ৮৬ লাখ।
১৯৫০ সালে জনসংখ্যার তথ্য সংগ্রহ শুরুর পর প্রথমবার সবচেয়ে জনবহুল দেশের তালিকার শীর্ষে পৌঁছেছে ভারত। কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, চীনের জন্মহার হ্রাস পাওয়ায় ধীরে ধীরে দেশটির জনসংখ্যা কমতে শুরু করেছে। জন্মহার বাড়াতে একাধিক পরিকল্পনা নিয়েছিল শি জিনপিং সরকার। কিন্তু এখনও আগের অবস্থানে ফিরে আসা সম্ভব হয়নি।
২০২১ সালে আদমশুমারির কথা থাকলেও প্রাণঘাতী করোনা মহামারির কারণে তা আর হয়নি। এক্ষেত্রে দেশটিতে প্রকৃত অর্থে জনসংখ্যা কত সে সম্পর্কে সরকারি তথ্য নেই।
জাতিসংঘের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ভারতের জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশের বয়স ১৪ বছরের কম। দেশটির জনসংখ্যার ৬৮ শতাংশ ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী। যেখানে ৭ শতাংশের বয়স ৬৫ বছরের বেশি।
বিভিন্ন সংস্থা ধারণা করছে, আগামী তিন দশক ভারতের জনসংখ্যা বাড়তে থাকবে। দেশটির জনসংখ্যা ১৬৫ কোটি পৌঁছাতে পারে। চলিত বছরের মাঝামাঝিতে বিশ্বের মোট জনসংখ্যা ৮০৪ কোটি ৫০ লাখে দাঁড়াতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 22, 2026, 4:06 am