কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে বিপন্ন প্রজাতির বনরুই (Indian Pangolin) উদ্ধার করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের লাল তালিকা অনুযায়ী বনরুই বিশ্বব্যাপী মহাবিপন্ন প্রাণী।
শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের সমিতি পাড়া সংলগ্ন সৈকত থেকে প্রাণীটি উদ্ধার করেন ফায়সাল নামক এক যুবক ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নেচার কনজারভেশন ম্যানেজমেন্টের (নেকম) জেলা ব্যবস্থাপক আব্দুল কাইয়ুম বলেন, প্রথমে ফয়সাল বনরুইটি দেখতে পান। তিনি এটিকে ধরেন। পরে সংবাদ পেয়ে সিপিজি ও ব্লু গার্ড কর্মীরা ফয়সালের কাছ থেকে বনরুইটি উদ্ধার করে। এরপর এটি কক্সবাজার বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বনরুইটি হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন পাহাড়ে অবমুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।
প্রকৃতি গবেষক ও সাংবাদিক আহমদ গিয়াস বলেন, দেশি বনরুই অতি বিপন্ন শ্রেণীর প্রাণী। এর বৈজ্ঞানিক নাম Manis crassicaudata. সৈকত সংলগ্ন বিভিন্ন মাছের খামার ও ডোবা থেকে এটি সাগরে নামতে পারে।
স্থানীয়রা জানান, বনরুইকে স্থানীয় ভাষায় “খুদুক” বলা হয়। একটি আঁশযুক্ত স্তন্যপায়ী প্রাণী। দেখতে অনেকটা রুই মাছের মতো। বনরুই ছাড়া অন্য কোনো স্তন্যপায়ী প্রাণীর শরীর শক্ত আঁশে আবৃত নয়। উই ও পিঁপড়া এদের প্রিয় খাদ্য। তাই উইয়ের ডিবি ও পিঁপড়ার বাসা ভেঙ্গে তাদের খাদ্য সংগ্রহ করতে দেখা যায়।
সমুদ্র সৈকত থেকে বনরুই উদ্ধার
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে বিপন্ন প্রজাতির বনরুই (Indian Pangolin) উদ্ধার করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের লাল তালিকা অনুযায়ী বনরুই বিশ্বব্যাপী মহাবিপন্ন প্রাণী।
শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের সমিতি পাড়া সংলগ্ন সৈকত থেকে প্রাণীটি উদ্ধার করেন ফায়সাল নামক এক যুবক ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নেচার কনজারভেশন ম্যানেজমেন্টের (নেকম) জেলা ব্যবস্থাপক আব্দুল কাইয়ুম বলেন, প্রথমে ফয়সাল বনরুইটি দেখতে পান। তিনি এটিকে ধরেন। পরে সংবাদ পেয়ে সিপিজি ও ব্লু গার্ড কর্মীরা ফয়সালের কাছ থেকে বনরুইটি উদ্ধার করে। এরপর এটি কক্সবাজার বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বনরুইটি হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন পাহাড়ে অবমুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।
প্রকৃতি গবেষক ও সাংবাদিক আহমদ গিয়াস বলেন, দেশি বনরুই অতি বিপন্ন শ্রেণীর প্রাণী। এর বৈজ্ঞানিক নাম Manis crassicaudata. সৈকত সংলগ্ন বিভিন্ন মাছের খামার ও ডোবা থেকে এটি সাগরে নামতে পারে।
স্থানীয়রা জানান, বনরুইকে স্থানীয় ভাষায় “খুদুক” বলা হয়। একটি আঁশযুক্ত স্তন্যপায়ী প্রাণী। দেখতে অনেকটা রুই মাছের মতো। বনরুই ছাড়া অন্য কোনো স্তন্যপায়ী প্রাণীর শরীর শক্ত আঁশে আবৃত নয়। উই ও পিঁপড়া এদের প্রিয় খাদ্য। তাই উইয়ের ডিবি ও পিঁপড়ার বাসা ভেঙ্গে তাদের খাদ্য সংগ্রহ করতে দেখা যায়।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 22, 2026, 5:24 am