চিকিৎসাবিদ্যায় অসামান্য অবদান ও গৌরবোজ্জ্বল ক্যারিয়ারের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের মর্যাদাপূর্ণ ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ অর্জন করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তাঁর এই জাতীয় স্বীকৃতিতে সাতক্ষীরা জেলা তথা তাঁর জন্মভূমি তালা উপজেলাজুড়ে আনন্দের বন্যা বইছে।
সাফল্যের মুকুট
গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সরকারপ্রধান দেশের ১৫ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন। ঢামেক হাসপাতালের পক্ষে এই রাষ্ট্রীয় পুরস্কার গ্রহণ করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
কর্মবীর আসাদুজ্জামানের পথচলা
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের শিরাশুনী গ্রামের সন্তান। তিনি ওই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত আবু তালেব মোড়লের কনিষ্ঠ পুত্র।
পুরস্কার গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুদীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, “১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি চিকিৎসা, শিক্ষা ও গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু। ৪২টি বিভাগ ও প্রায় ২,৬০০ শয্যার মাধ্যমে প্রতিদিন হাজারো মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে এই হাসপাতাল। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধ, কোভিড-১৯ মহামারি এবং সাম্প্রতিক সংকটগুলোতে এই প্রতিষ্ঠানটি সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।”
সাতক্ষীরাবাসীর গর্ব
জাতীয় পর্যায়ে এমন সম্মান অর্জনে সাতক্ষীরার শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় সুধীজনরা তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তালা শহীদ কামেল মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সাংবাদিক গাজী জাহিদুর রহমান বলেন, “এটি শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং পুরো সাতক্ষীরাবাসীর জন্য এক অনন্য গৌরব। তাঁর এই নিষ্ঠা ও নিরলস পরিশ্রম আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”
স্থানীয়রা মনে করছেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের এই অর্জন সাতক্ষীরার সুনামকে জাতীয় পর্যায়ে আরও সুসংহত করল এবং তরুণ প্রজন্মকে দেশসেবায় উৎসাহিত করবে।
স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান
চিকিৎসাবিদ্যায় অসামান্য অবদান ও গৌরবোজ্জ্বল ক্যারিয়ারের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের মর্যাদাপূর্ণ ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ অর্জন করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তাঁর এই জাতীয় স্বীকৃতিতে সাতক্ষীরা জেলা তথা তাঁর জন্মভূমি তালা উপজেলাজুড়ে আনন্দের বন্যা বইছে।
সাফল্যের মুকুট
গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সরকারপ্রধান দেশের ১৫ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন। ঢামেক হাসপাতালের পক্ষে এই রাষ্ট্রীয় পুরস্কার গ্রহণ করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
কর্মবীর আসাদুজ্জামানের পথচলা
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের শিরাশুনী গ্রামের সন্তান। তিনি ওই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত আবু তালেব মোড়লের কনিষ্ঠ পুত্র।
পুরস্কার গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুদীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, “১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি চিকিৎসা, শিক্ষা ও গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু। ৪২টি বিভাগ ও প্রায় ২,৬০০ শয্যার মাধ্যমে প্রতিদিন হাজারো মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে এই হাসপাতাল। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধ, কোভিড-১৯ মহামারি এবং সাম্প্রতিক সংকটগুলোতে এই প্রতিষ্ঠানটি সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।”
সাতক্ষীরাবাসীর গর্ব
জাতীয় পর্যায়ে এমন সম্মান অর্জনে সাতক্ষীরার শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় সুধীজনরা তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তালা শহীদ কামেল মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সাংবাদিক গাজী জাহিদুর রহমান বলেন, “এটি শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং পুরো সাতক্ষীরাবাসীর জন্য এক অনন্য গৌরব। তাঁর এই নিষ্ঠা ও নিরলস পরিশ্রম আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”
স্থানীয়রা মনে করছেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের এই অর্জন সাতক্ষীরার সুনামকে জাতীয় পর্যায়ে আরও সুসংহত করল এবং তরুণ প্রজন্মকে দেশসেবায় উৎসাহিত করবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 22, 2026, 3:18 am