পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার কুয়াকাটায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীও শিশুসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে ৬ জনকে কুয়াকাটা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর বাকি চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গতকাল (রোববার) রাত ১০টায় কুয়াকাটার তুলাতুলি বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুয়াকাটার নয়াপাড়া গ্রামের হানিফ মেম্বারের সাথে পার্শ্ববর্তী তুলাতলী এলাকার মোশারেফ আকনের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ছিল দীর্ঘদিন। বিরোধপূর্ণ এই জমি নিয়ে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে হানিফ মেম্বার ও মোশারফ আকন পক্ষের মোট ১০ জন আহত হয়।
সংঘর্ষে আহতরা অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ করছেন একে অপরের বিরুদ্ধে।
সংঘর্ষে দুই পক্ষের আহতরা হলেন— জাহিদুল (২৫), মনির (৩২), বাশার (৪০), হ্যাপি বেগম (৪০), সালমান (২৭), মোশারফ আকন (৫০),আমির আকন (৪৫), হাসান আকন (১৮), সুমি (২৮), চানবানু (৬০)। এদের মধ্যে মনির, জাহিদুলসহ মোট চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে মহিপুর থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত স্বাপক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কুয়াকাটায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার কুয়াকাটায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীও শিশুসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে ৬ জনকে কুয়াকাটা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর বাকি চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গতকাল (রোববার) রাত ১০টায় কুয়াকাটার তুলাতুলি বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুয়াকাটার নয়াপাড়া গ্রামের হানিফ মেম্বারের সাথে পার্শ্ববর্তী তুলাতলী এলাকার মোশারেফ আকনের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ছিল দীর্ঘদিন। বিরোধপূর্ণ এই জমি নিয়ে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে হানিফ মেম্বার ও মোশারফ আকন পক্ষের মোট ১০ জন আহত হয়।
সংঘর্ষে আহতরা অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ করছেন একে অপরের বিরুদ্ধে।
সংঘর্ষে দুই পক্ষের আহতরা হলেন— জাহিদুল (২৫), মনির (৩২), বাশার (৪০), হ্যাপি বেগম (৪০), সালমান (২৭), মোশারফ আকন (৫০),আমির আকন (৪৫), হাসান আকন (১৮), সুমি (২৮), চানবানু (৬০)। এদের মধ্যে মনির, জাহিদুলসহ মোট চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে মহিপুর থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত স্বাপক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
এ এম জি ফেরদৌস
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
নাহিদুল ইসলাম ফাহিম
বার্তা সম্পাদক
এ কে এম আবু সাঈম
|
প্রধান কার্যালয়
পূর্ব লিংক রোড, ঝিলংজা, কক্সবাজার, বাংলাদেশ, ৪৭০০
মোবাইল: ০১৮১৯-৫০২-৩২২
ই-মেইল beachnews247@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: July 22, 2026, 4:55 am